Wednesday, April 19, 2017

৭ কলেজের ২ লাখ শিক্ষার্থী বিপদে

৭ কলেজের ২ লাখ শিক্ষার্থী বিপদে



৭ কলেজের ২ লাখ শিক্ষার্থী বিপদে
দীর্ঘদিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা রাজধানীর বড় সাতটি সরকারি কলেজ সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়েছে। তবে এর পর থেকেই সংকটে পড়েছে এসব কলেজে অধ্যয়নরত প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী। অনেক শিক্ষার্থীরই রচনামূলক পরীক্ষা শেষ হয়েছে, কিন্তু কয়েক মাস ধরে আটকে আছে ব্যবহারিক পরীক্ষা। বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষারও নতুন করে কোনো তারিখ ঘোষণা করা হচ্ছে না। কলেজগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গেলেও এখনো সিলেবাস বা পাঠ্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। সিলেবাসবিহীন অবস্থায়ই পড়ালেখা করছে শিক্ষার্থীরা। ফলে তাদের সেশনজটে পড়ারও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। এগুলো হচ্ছে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ। অধিভুক্ত হওয়ার পর পরীক্ষা, ক্লাসসহ সার্বিক লেখাপড়া নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় শিক্ষার্থীরা উদ্বেগে রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশীদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি তাঁদের বিভিন্ন বক্তব্যেও দ্বন্দ্বের বিষয়টি ফুটে ওঠে। সরকার যখন সরকারি কলেজ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দিতে চায় তখন থেকেই রাজধানীর নামি কলেজগুলো নিজেদের আয়ত্তে নিতে উঠেপড়ে লাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা না করে কোনো কোর্স কারিকুলাম বা পরিকল্পনা না করেই সাতটি কলেজ নিয়ে নেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এতে হঠাৎ সংকটে পড়ে শিক্ষার্থীরা।
গত মাসে সরকারি তিতুমীর কলেজের এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘খাতা না দেখেই চূড়ান্ত ফল দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে তাদের শিক্ষার মান কেমন হতে পারে তা সহজেই অনুমান করা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের আত্মীয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষক। তিনি একবার অনার্সের খাতা নিলেও অসুস্থতার কারণে দেখতে পারেননি। তাই তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানান, দ্রুত যেন খাতা নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর পক্ষে খাতা দেখা সম্ভব নয়। কিন্তু মাসখানেক পার হলেও কেউ খাতার ব্যাপারে খোঁজ নেয়নি। এর কিছুদিন পরেই ফলাফল দিয়ে দেওয়া হয়। অথচ তখন অদেখা অবস্থায় কয়েক শ খাতা ওই শিক্ষকের বাসায় পড়ে ছিল। এই হলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখার অবস্থা। ’
তবে ঢাবি উপাচার্যের এই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ অসত্য, মনগড়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিদ্বেষপ্রসূত বলে উল্লেখ করে তা প্রমাণের জন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে ঢালাওভাবে মনগড়া এরূপ বক্তব্য প্রদান একজন উপাচার্যের দায়িত্বশীল পদে আসীন ব্যক্তির পক্ষে কতদূর সমীচীন, তা কারো পক্ষে না বোঝার কথা নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য যে একজন চরম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-বিদ্বেষী, তাঁর এ বক্তব্য থেকে সেটি স্পষ্ট। ড. আরেফিন সিদ্দিককে তাঁর বক্তব্যের সমর্থনে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হলো। অন্যথায় তাঁর এ ধরনের অসত্য, মনগড়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যের বিরুদ্ধে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবে। ’
তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অধিভুক্ত সাত কলেজ নিয়ে আমাদের নীতিনির্ধারণের কাজ চলছে। তবে অধিভুক্ত কলেজ আমাদের জন্য নতুন নয়। আগেও এই কলেজগুলো আমাদের অধীনে ছিল। ফলে কোনো সমস্যা হবে না। আমরা সব কিছুই ডিজিটাল পদ্ধতিতে করার চেষ্টা করছি। যাদের ব্যবহারিক পরীক্ষা বাকি আছে শিগগির আমরা তা নেওয়ার চেষ্টা করব। আর নতুন পরীক্ষার তারিখও দ্রুত ঘোষণা করা হবে। ’
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশীদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এটা (সাত কলেজের অধিভুক্তি) সরকারি সিদ্ধান্ত। এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই ভালো জানে। তারা যেটা ভালো মনে করেছে সেটাই করেছে। আমরা অনার্স চতুর্থ বর্ষের লিখিত পরীক্ষা নিয়েছি, ব্যবহারিক নেওয়ারও সময় দেওয়া হলো না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে আমাদের কাছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের তথ্য চাওয়া হয়েছে। আমরা সেগুলো প্রস্তুত করছি। প্রথম দিকে তো কিছুটা সমস্যা হবেই। আশা করি, আস্তে আস্তে সেটা তারা উতরে যবে। ’
জানা যায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেই, ৩ জানুয়ারি। শেষ হয় গত ১১ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু ব্যবহারিক শুরুর আগেই কলেজগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যায়। যদিও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় থাকা অন্য কলেজগুলোর ব্যবহারিক পরীক্ষা ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত ও প্রাইভেট (নতুন সিলেবাস) এমএ, এমএসএস, এমবিএ, এমএসসি ও এম মিউজ শেষ পর্ব পরীক্ষার রুটিনও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করেছে। ২০১৬ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স পরীক্ষার সময়সূচিও ঘোষণা করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। অথচ অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা পুরোপুরি অন্ধকারে রয়েছে। তারা এই পরীক্ষায় অংশও নিতে পারছে না।
এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার সময়সূচিতে রাখা হয়নি অধিভুক্ত সাত কলেজ। ইতিমধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্সের একটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও এই সাত কলেজের শিক্ষার্থী এতে অংশ নিতে পারেনি। এমনকি এসব কলেজের শিক্ষার্থীর তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শামসুন নাহার বলেন, ‘কিছুটা গ্যাপ হয়ে যাচ্ছে। আশা করছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তা পূরণ করে ফেলবে। ’ সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু হায়দার আহমেদ নাসের বলেন, ‘এটা সরকারি সিদ্ধান্তের ব্যাপার। আমাদের এখানে কিছুই বলার নেই। ’
সংশ্লিষ্টরা জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় থাকাকালীন ওই সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অনেকে এক বা একাধিক বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হয়ে পরের বর্ষে প্রমোশন পেয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষার আগে পূর্বের বর্ষের অনুত্তীর্ণ বিষয়গুলোতে উত্তীর্ণ না হলে ফল স্থগিত থাকে। এখন এ  ধরনের শিক্ষার্থী, যারা একাধিক বর্ষে বিভিন্ন বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছে, তারা কোন সিলেবাসে, কোথায় পরীক্ষা দেবে তা নিয়ে চরম বিভ্রান্তিতে আছে। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে খুব শিগগির এসব শিক্ষার্থীর সমস্যা সমাধানও সম্ভব নয়।
ঢাকা কলেজের সমাজবিজ্ঞানের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন বলেন, ‘আমি দ্বিতীয় বর্ষের একটি পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তৃতীয় বর্ষে প্রমোশন পেয়েছি। এখন আমার দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষাটা কে নেবে? আর যদি এই পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নতুন কারিকুলামে নেয় তাহলে আমি কিভাবে পরীক্ষা দেব? আর এমনিতেই আমরা প্রায় এক বছরের সেশনজটে আছি। এখন যদি পরীক্ষা শুরু করতে আরো দেরি হয় তাহলে বড় সেশনজটে পড়ে যাব। ’
জানা যায়, চলতি মাসেই শেষ হবে এইচএসসি পরীক্ষা। জুলাই থেকে শুরু হবে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া। এত দিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এই সাত কলেজে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে ভর্তি করবে তা এখনো ঘোষণা করেনি। সাধারণত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে থাকে। তাই এই সাত কলেজেও যদি ভর্তি পরীক্ষা নিতে হয় তাহলে অনেক বড় আয়োজন করতে হবে। আর এখনই যদি ভর্তি পরীক্ষার ঘোষণা দেওয়া না হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের পক্ষে প্রস্তুতিও নেওয়া সম্ভব নয়। ফলে শিক্ষার্থীরা ভর্তি নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছে।
অধিভুক্ত কলেজগুলোর বিভিন্ন বর্ষের একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, তারা এখনো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস পড়ছে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই সিলেবাস রাখবে, না নতুন করে দেবে তা এখনো বলেনি। আর একজন শিক্ষার্থীর অর্ধেক পড়ালেখা শেষে তাদের জন্য নতুন সিলেবাসে পড়ালেখা করাটা কঠিন।  
সরকারি তিতুমীর কলেজের অর্থনীতি অনার্স কোর্সের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আদনান হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসেই আমি দুটি বর্ষ শেষ করেছি। এখন যদি আমাকে নতুন করে সিলেবাস দেয় তাহলে তার সঙ্গে তাল মেলানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্তির দুই মাস পার হয়ে গেলেও আমরা নতুন কোনো পাঠ্যক্রম বা নির্দেশনা পেলাম না। এতে খুবই চিন্তায় আছি। আর নতুন সিলেবাস এলে নির্ঘাত আমাদের রেজাল্ট খারাপ হবে। এর দায়দায়িত্ব কে নেবে? তাই আমরা যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেই থাকি না কেন আমাদের যেন পুরনো সিলেবাসেই লেখাপড়া শেষ করার সুযোগ দেওয়া হয়। ’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ৪৫ হাজার শিক্ষার্থী নিয়েই হিমশিম খাচ্ছে। এর ওপর যোগ হয়েছে আরো সাত কলেজের দুই লাখ শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া, খাতা দেখা, ফল প্রকাশ, রেজিস্ট্রেশন, ভর্তি, ফরম পূরণ, একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তাদের বড় ধরনের জনবল দরকার। কিন্তু এই আয়োজন এখনো শুরুই করতে পারেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
নাম প্রকাশ না করে রাজধানীর একটি সরকারি কলেজের একজন বিভাগীয় প্রধান বলেন, ‘সাধারণত কোনো কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণার দিন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। এই সাত কলেজের ক্ষেত্রেও একই কাজ করা হয়েছে। কিন্তু মনে রাখা উচিত ছিল, এই সাত কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুই লাখ। তাদের বিভিন্ন ধরনের কোর্স রয়েছে। ফলে এত শিক্ষার্থীকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে বেশ বেগ পেতে হবে। এ ক্ষেত্রে যদি ঘোষণার পরবর্তী বর্ষে যারা ভর্তি হবে তাদেরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হতো তাহলে আর কোনো সমস্যা হতো না। ’
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাজধানীর সাত কলেজ অধিভুক্ত হয়েছে। তাই পুরো কাজটা তাদেরই, এখানে আমাদের কোনো দায়িত্ব নেই। কলেজগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গেলে কী হবে আর না গেলে কী হবে—এ বিষয়ে আমরা আগেই মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।   দুই লাখ শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গেলে তাদের জনবল, টাকা-পয়সা কী লাগবে সেটাও প্রতিবেদনে আছে। এত শিক্ষার্থী সামাল দেওয়া, পরীক্ষা নেওয়া, খাতা দেখা তো চাট্টিখানি কথা নয়। ’
জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩১ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সরকারি কলেজগুলোকে সংশ্লিষ্ট এলাকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেওয়ার নির্দেশ দেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রায় দুই হাজার ১৫০টি কলেজে ২১ লাখ শিক্ষার্থী থাকলেও সরকারি ১৮৪টি কলেজেই অধ্যয়ন করে ১৩ লাখ শিক্ষার্থী। সরকারি কলেজ পৃথক করার এই সিদ্ধান্তে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে সময় আপত্তি জানিয়েছিল। তবে টেকেনি। গত বছরের ২৮ অক্টোবর এক সভায় অধিভুক্ত সরকারি কলেজগুলোকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৮৪টি কলেজকে ভাগ করে দিতেও সুপারিশ করে এ বিষয়ে গঠিত কমিটি। এর মধ্যে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ করেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাজধানীর সাত কলেজ দেওয়া হয়। যদিও বাকি ১৭৭টি কলেজকে এখনো অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেওয়া হয়নি।  
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) আব্দুল্লাহ আল হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সাত কলেজের দায়িত্ব যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েছে তাই পুরো দায়দায়িত্বই তাদের। তাদেরই উচিত এ ব্যাপারে দ্রুত করণীয় ঠিক করা। ’

Wednesday, April 5, 2017

অধিভুক্ত সাত কলেজের নীতিমালা ফাঁস

অধিভুক্ত সাত কলেজের নীতিমালা ফাঁস

অবশেষে অধিভুক্ত সাত কলেজের নীতিমালা তৈরি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সেই নীতিমালা প্রকাশ করার আগেই ফাঁস হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
গত ফেব্রুয়ারিতে রাজধানীর সাত কলেজ ঢাবির অধিভুক্ত হওয়ার পরীক্ষা ও পাঠ কার্যক্রম নিয়ে শঙ্কার মধ্যে ছিল অধিভুক্ত সাত কলেজের প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী। নীতিমালা তৈরিতে গত ১ এপ্রিল সাত কলেজের অধ্যক্ষদের সাথে বৈঠকে বসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু ওই বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা প্রকাশ করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই বৈঠকে গৃহীত নীতিমালার ফাঁস হওয়া একটি কপি পূর্বপশ্চিমের হাতে এসে পৌঁছেছে।
বৈঠকে মোট ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নীতিমালার কপি ঢাবির কলেজ পরিদর্শকের কার্যালয় থেকে অধিভুক্ত কলেজগুলো পাঠানো হয়েছে। পাঠকদের জন্য নীতিমালাটি প্রকাশ করা হল-
০১. মাস্টার্স শেষ পর্ব, অনার্স ৩য় বর্ষ,ডিগ্রী (পাস) ১ম ও ৩য় বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফরম পূরণ করেছে, কিন্তু পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি, তাদেরকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নতুন করে ফরম পূরণ করতে হবে। এজন্য ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে কোনো ফি নেওয়া হবে না।
পরীক্ষা কমিটি গঠন প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ইত্যাদি কাজ কলেজ অধ্যক্ষ ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আলোচনা করে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
০২. যে সকল ছাত্র-ছাত্রীর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরর অধীনে লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য কলেজ কলেজ ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
০৩. যে সকল ছাত্রছাত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে, যাদের ফলাফল স্থগিত আছে বা ফলাফল প্রকাশিত হয়নি, তাদের ফলাফল প্রকাশের দায় দায়িত্ব জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরর। এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষগণ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
০৪. কলেজে বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত ও রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যারা বিশেষ পরীক্ষায় ও গ্রেড উন্নয়ন করতে ইচ্ছুক.. তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
০৫. সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার বাদে অন্যান্য দিনে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হোক।
০৬. প্রত্যেক কলেজে পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হোক। তবে এক কলেজের শিক্ষার্থীদের অন্য কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।
০৭. যে সকল শিক্ষার্থীর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে.. প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়া সাপেক্ষে তাদের রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হোক।
০৮. মাস্টার্স শেষ পর্ব ও ডিগ্রী (পাস) ১ম বর্ষে ভর্তির জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রনীত ২য় ও চূড়ান্ত অপেক্ষমান মেধা তালিকা প্রেরণের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও অধ্যক্ষবৃন্দকে অনুরোধ করে রেজিস্ট্রার দপ্তর কর্তৃক পত্র প্রেরণ করা হোক।
০৯. কলেজ সমূহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভর্তিকৃত ও রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের রেজিস্ট্রেশন নাম্বারসহ অনান্য প্রয়োজনীয় তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করে ছাএছাএীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
১০. যে সব কলেজে ডিগ্রী (পাস) কোর্স চালু সেই সব কলেজ থেকে কোন ছাত্র-ছাত্রী বহিরাগত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে ইচ্ছুক হলে, সেই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মঅনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
১১. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রণীত কোর্স কারিকুলাম অনুযায়ী আপাতত ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা নেওয়া হোক। কলেজে প্রচলিত কোর্স সমূহের কোর্স দ্রুত সংশোধন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় করার যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
১২. কলেজগুলোতে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ সম্মান শ্রেণি, পাস কোর্স,ও মাস্টার্স কোর্সে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধার ভিওিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
উল্লেখ্য, ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ গত ফেব্রুয়ারি থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

Tuesday, April 4, 2017

National University Degree 2nd Year Result publish

National University Degree 2nd Year Result publish

National University Degree 2nd Year Result Download from NU official website www.nu.edu.bd/results. National University Degree Pass and Certificate Course 2nd year Exam result in 2016. NU Degree Second year Exam result going to publish at www.nu.edu.bd on at 08:00 AM. Let’s Check details of Degree 2nd Year Result from below:-

National University Degree 2nd Year Result

Degree 2nd Year Result

Degree 2nd Year Result Under National University. The National University authority will publish Degree 2nd-year result, Degree Second Year exam result 2016, which is found here. Now time to wait for Degree 2nd Year Result 2016. You can check your NU Degree 2nd year Result, which is called National University Degree Pass & Certificate Course 2nd year exam Result 2016.

NU Degree 2nd Year Result Publish on 3rd April 2017

NU Degree Second Year Exam Result

Here we are provide Degree pass and certificate course Second Year Result. You can able to get NU Degree 2nd year exam result via Mobile Phone by sending the SMS. If students can able to check Degree second year result via online website of National University official website. Now let see How to get NU Degree Exam Result by Mobile SMS?

Write Your Mobile SMS Option :

NU<Space>Deg<Space>Degree Exam Roll No & send it to 16222.

For Example: NU Deg 123456 and send this message to 16222

Every year there are total more than 4 Lac students appear in NU Degree Pass & Certificate Course Exam. In NU Degree Pass and Certificate Course Exam is ongoing in total 683 exam centres Bangladesh. Not only needed students but also their honorable parents are searching their children NU Degree 2nd year Result.

Monday, April 3, 2017

পরীক্ষা বাস্তবায়ন কমিটির জন্য নাম প্রস্তাব করেছে অধিভুক্ত সাত কলেজ

পরীক্ষা বাস্তবায়ন কমিটির জন্য নাম প্রস্তাব করেছে অধিভুক্ত সাত কলেজ

পরীক্ষা বাস্তবায়ন কমিটির জন্য নাম প্রস্তাব করেছে অধিভুক্ত সাত কলেজ
অধিভুক্ত সাত কলেজ প্রতিনিধিদের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বৈঠকে শেষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ভবনস্থ উপাচার্যের লাউঞ্জে সোমবার (৩ এপ্রিল) বিকাল তিনটার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়।
ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙ্লা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান পূর্বপশ্চিমকে বৈঠক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের নেতৃত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সাত কলেজের অধ্যক্ষরা তাদের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা, প্রশ্নপত্র ও রুটিন প্রণয়নের জন্য শিক্ষকদের নাম প্রস্তাব করেছে। তাদের প্রস্তাবিত সদস্যদের নিয়ে পরীক্ষা বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হবে।
এর আগে গত ১ এপ্রিল অধিভুক্ত কলেজগুলোর অধ্যক্ষের কাছ থেকে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নাম আহ্বান করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ বিষয়ে আজ বৈঠক শেষে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোয়াজ্জম হোসেন মোল্লা পূর্বপশ্চিমকে বলেন, মাস্টার্স, চতুর্থ বর্ষ, তৃতীয় বর্ষসহ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি গঠন করবে। আজ আমরা কমিটি গঠনের জন্য নাম প্রস্তাব করে এসেছি।
সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু হায়দার আহমেদ নাসের বলেন, আজকে আমরা শুধু নাম প্রস্তাব করে এসেছি উল্লেখ করার মত কোন সিদ্ধান্ত এখেনো হয়নি। যেহেতু নাম প্রস্তাব করে এসেছি তাই অল্প সময়ের মধ্যেই কমিটি গঠিত হবে এবং কমিটি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করবে।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে এই সাত কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়। কিন্তু ঢাবির অধিনে চলে যাওয়ার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কোন নীতিমালা হাতে না পাওয়ায় শঙ্কার মধ্যে রয়েছে সাত কলেজের প্রায় দুই লাক্ষ শিক্ষার্থী।

Friday, March 31, 2017

যেভাবে চলবে ঢাবি অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম

যেভাবে চলবে ঢাবি অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম


অধিভুক্ত হওয়া মানেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে যাওয়া না: ঢাবি উপাচার্য


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হওয়া সাতটি কলেজের ভর্তি পরীক্ষা, শিক্ষা কার্যক্রম, একাডেমিক পরীক্ষা, ফলাফল প্রণয়ন এবং সিলেবাস প্রণয়ন সবকিছুই এখন থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। কলেজগুলো হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।
এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা সনদও পাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থী এবং অধিভুক্ত কলেজসমুহের শিক্ষার্থীদের সনদে পার্থক্য থাকবে।
সনদের বিষয়ে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীদের সনদে লেখা থাকে সে কোন হলের শিক্ষার্থী এবং কোন বিভাগ থেকে পাশ করেছে। আর ওইসব কলেজের শিক্ষার্থীদের সনদে লেখা থাকবে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের (স্ব স্ব কলেজের নাম) কোন বিষয় থেকে পাশ করেছে সেটা।’
অধিভুক্ত হওয়া মানেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে যাওয়া না, বিষয়টি স্পষ্ট করে উপাচার্য বলেন, আমাদের অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা এখন ১০৪টি। নতুন সাতটি যোগ হওয়ায় এ সংখ্যা এখন ১১১টি হবে। অন্য কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে পরিচালনা করে আসছিল এ কলেজগুলোর কার্যক্রমও সেভাবে পরিচালিত হবে, নতুন কিছু না।
এই সাতটি কলেজ যুক্ত হওয়ার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ১০৪টি কলেজ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪০ হাজার ৬৯৮ জন, শিক্ষক ৭ হাজার ৫৯১ জন। নতুন সাতটি কলেজের মোট অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী সংখ্যা এক লাখ ৬৭ হাজার ২৩৬ এবং শিক্ষক সংখ্যা এক হাজার ১৪৯।
ফলে নিজস্ব ৩১ হাজার ৯৫৫ জন শিক্ষার্থীর বাইরে আরও ২ লাখ ৮ হাজার শিক্ষার্থীর দেখভালের দায়িত্ব এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁধে।
সনদে পার্থক্য
নতুন অধিভুক্ত হওয়ার সাতটি কলেজ থেকে পাশ করে যাওয়া শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ পেলেও এখন থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা পাবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ। তবে সেই সনদ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের সনদ থেকে সম্পুর্ণ আলাদা হবে। কারণ সনদে স্ব স্ব কলেজ এবং বিভাগের নাম স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে বলে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের সনদপ্রাপ্তির ব্যাপারে ঢাকা কলেজর অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, এখন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সবকিছু পরিচালিত হওয়ায় এখনও যারা পাশ করে বের হয়ে যায়নি তারা সবাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইস্যু করা সনদ পাবে।
শিক্ষার মানোন্নয়নেই সরকারের এ সিদ্ধান্ত
অধিভুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দাবি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সরকারি কলেজগুলোর উচ্চ শিক্ষার মান আশানুরুপ উন্নতি না হওয়ার কারণে সরকারি কলেজগুলোকে আবারো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তিকরণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এসব কলেজসহ রাজধানী ও আশেপাশের প্রায় সব সরকারি কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে তা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যায়।

Thursday, March 23, 2017

অনার্স ১ম বর্ষ (১৫-১৬) শিক্ষাবর্ষের রেজাল্ট প্রসঙ্গে বিস্তারিত

Honours First Year Result 2017 will be published hopefully within this month or in the first week of April 2017.The session year of 2015-2016 and the examination year of 2016 result will be published at national university official website at www.nu.edu.bd. 

Honours First Year Result 2017 National University 2015-16 Session

2016 Exam year’s honours first year result will be found at National University official website when the result will be published. The result will get by SMS system too. After publishing result it will be seen in website at 5.00 PM. The session of 2015-16 regular or irregular students will get their result together.

To get result from online you have to click the link www.nu.edu.bd and select your examination year and then enter your registration number or roll number, image code then click the search the result button. After successfully submit your info you will get your result from online. You will also can get your result by collegewise result system.

SMS Method to get Honors First Year Result

To get honours First year result 2017 through SMS, go to your cell phone text message option then write down ‘NU<space>H1<space> Registration number’ then send it to 16222 from any mobile operator. The SMS charge will be 2.30 BDT without vat and taxes. Here is an SMS example NU H1 123675648465> 16222.

Honors First Year Exam 2016

In this year under national university a huge number of students about almost  3 lack  regular or irregular students attended on honors first year examination 2016 of 241 NU colleges. From this year included gov colleges under Dhaka University will be dismissed from national university. But this year the result will be published from national university authority. But after this year the education system of those colleges will go under DU authority.


অনার্স সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য যে সকল নীতিমালা পরিবর্তন এনেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

অনার্স সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য যে সকল নীতিমালা পরিবর্তন এনেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়



বর্তমান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, অনার্স সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য যে সকল নীতিমালা পরিবর্তন এনেছে তা হলোঃ
সকল শিক্ষার্থীকে মোট ৪টি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে।
ক্লাস ভিত্তিক পরীক্ষাঃ ৩টি
১| ১ম ইনকোর্স পরীক্ষা।
২| ২য় ইনকোর্স পরীক্ষা।
৩| টেস্ট পরীক্ষা। এবং
৪| ফাইনাল পরীক্ষাঃ ১টি
সকল পরীক্ষার সময় সূচীঃ
—[ ১ম ইনকোর্স পরীক্ষা ]—
যে দিন থেকে কলেজে ভর্তি হবে (১ম বর্ষের জন্য) জন্য) সেদিন থেকে ৩ মাসের ভিতরে ১ম ইনকোর্স পরীক্ষা হবে।
কলেজের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হবে (২য়,৩য় ও ৪র্থ বর্ষের জন্য) সেদিন থেকে ৩ মাসের ভিতরে ১ম ইনকোর্স পরীক্ষা হবে।
১ম ইনকোর্স পরীক্ষার তারিখ কলেজ থেকে স্যার জানাবেন।
—[ ২য় ইনকোর্স পরীক্ষা ]—
যে দিন থেকে ১ম ইনকোর্স পরীক্ষা শেষ হবে সেদিন থেকে ৩ মাসের ভিতরে ২য় ইনকোর্স পরীক্ষা হবে।
২য় ইনকোর্স পরীক্ষার তারিখ কলেজ থেকে স্যার জানাবেন।
—–[ টেস্ট পরীক্ষা ]——
যে দিন থেকে ২য় ইনকোর্স পরীক্ষা শেষ হবে সে দিন থেকে ২ মাসের ভিতরে টেস্ট পরীক্ষা হবে। টেস্ট পরীক্ষার তারিখ কলেজ থেকে স্যার জানাবেন।
—–[ ফাইনাল পরীক্ষা ]—–
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন করবে। এই ফাইনাল পরীক্ষা কবে হবে কর্তৃপক্ষ ছাড়া কেউ বলতে পারবে না।
৫ কলেজকে সেরা ঘোষণা করল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

৫ কলেজকে সেরা ঘোষণা করল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন পাঁচটি কলেজকে জাতীয়ভাবে শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কলেজগুলো হলো রাজশাহী কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা কমার্স কলেজ (বেসরকারি) ও সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ।
নিজেদের উদ্যোগে করা এক র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে এই ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির নগর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাঙ্কিংয়ের ফল ঘোষণা করেন উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ।

পরীক্ষার ফলসহ ৩১টি সূচকের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের ৬৮৫টি কলেজের ২০১৫ সালের তথ্যের ভিত্তিতে এই র‌্যাঙ্কিং করা হয়।

এতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পাঁচটি, সেরা মহিলা কলেজ একটি, সেরা সরকারি কলেজ একটি, সেরা বেসরকারি কলেজ একটি এবং সাতটি আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিটিতে সর্বোচ্চ ১০টি করে কলেজকে সেরা কলেজ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে দুটি অঞ্চলে ১০টি কলেজ পাওয়া যায়নি। ২০ মে জাতীয় জাদুঘরে এসব কলেজকে স্মারক সম্মাননা, সনদ ও পুরস্কার প্রদান করা হবে। উপাচার্য দাবি করেন, এ ধরনের আয়োজন দেশে প্রথম।

র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী জাতীয় পর্যায়ে সেরা মহিলা কলেজ হয়েছে ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি কলেজ হিসেবে সেরা হয়েছে রাজশাহী কলেজ, সেরা বেসরকারি কলেজ হয়েছে ঢাকা কমার্স কলেজ।

ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চলের সেরা ১০ কলেজ : ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা কমার্স কলেজ, ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজ, টাঙ্গাইলের সরকারি সা’দত কলেজ, ঢাকার লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ ও ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজ।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের সেরা ১০ কলেজ : চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, কুমিল্লার সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ, ফেনী সরকারি কলেজ, চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রামের সরকারি মহিলা কলেজ, চট্টগ্রামের সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রামের পটিয়া সরকারি কলেজ, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ, এবং চট্টগ্রামের ওমরগণি এম ই এস কলেজ (বেসরকারি)।

রাজশাহী অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : রাজশাহী কলেজ, বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ, রাজশাহীর ভবানীগঞ্জ কলেজ, বগুড়ার সৈয়দ আহমদ কলেজ, রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ, নওগাঁ সরকারি কলেজ, বগুড়ার সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ ও রাজশাহীর নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ।

খুলনা অঞ্চলের সেরা ১০ কলেজ : যশোরের সরকারি এম এম কলেজ, সাতক্ষীরার কুমিরা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, যশোরের সরকারি মহিলা কলেজ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, যশোরের উপশহর মহিলা ডিগ্রি কলেজ, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ, কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজ, বাগেরহাটের সরকারি পি সি কলেজ, সাতক্ষীরার সরকারি শ্যামনগর মহসীন কলেজ ও যশোরের নওয়াপাড়া কলেজ।

বরিশাল অঞ্চলের সেরা ৯ সেরা কলেজ : বি এম কলেজ, বরিশালের সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বরিশাল কলেজ, ভোলা সরকারি কলেজ, বরগুনা সরকারি কলেজ, বরিশালের সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, পিরোজপুরের সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ভোলার চরফ্যাশন সরকারি কলেজ ও বরিশালের সরকারি ফজলুল হক কলেজ।

সিলেট অঞ্চলের সেরা ৮ : সিলেটের এম সি কলেজ, হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, সিলেটের সরকারি মহিলা কলেজ, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ, সিলেটের মদনমোহন কলেজ, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা কলেজ ও মৌলভীবাজারের সরকারি শ্রীমঙ্গল কলেজ।

রংপুর অঞ্চলের সেরা ১০ কলেজ : রংপুরের কারমাইকেল কলেজ, দিনাজপুর সরকারি কলেজ, লালমনিরহাটের আলিমুদ্দিন কলেজ, রংপুরের সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, লালমনিরহাটের উত্তরবাংলা কলেজ, নীলফামারী সরকারি কলেজ, দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজ, লালমনিরহাট সরকারি কলেজ, রংপুর সরকারি কলেজ।

Monday, March 20, 2017

নিয়ন্ত্রক কারাগারে, হচ্ছে না জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা

নিয়ন্ত্রক কারাগারে, হচ্ছে না জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা

Thursday, January 19, 2017

SSC Routine 2017 Published

SSC Routine 2017 Published

SSC Routine 2017 Has Been Published on 15 November

Ministry of Education together with all the Education Boards of bangladesh are maintaining the mounted SSC AN HSC communication schedule with success for the recent few years. As per continuity of this rule this year conjointly SSC communication are going to be started with Bangla first paper from 2 February.