Sunday, April 9, 2017

৪০০ বছর পর বিশাল গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে!

৪০০ বছর পর বিশাল গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে!

ASTEROID

এই সেই গ্রহাণু, যা ধেয়ে আসছে আমাদের দিকে...

সুবিশাল একটা গ্রহাণু বা অ্যাস্টারয়েড ছুটে আসছে আমাদের দিকে। প্রায় উল্কার গতিতে! সেই বিশাল গ্রহাণুটি আদৌ কৃষ্ণ কালো নয়! বরং চাঁদ যতটা আলো তার পিঠ থেকে ঠিকরে দেয়, তার দ্বিগুণ আলো ঠিকরে দিতে পারে এই গ্রহাণুটি। হুশ‌্ করে সেই গ্রহাণুটি এসে পড়বে নববর্ষের পরপরই। আর, তা পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি আসবে ১৯ এপ্রিল। গত ৪০০ বছরে এই গ্রহাণুটি এত কাছে আসেনি পৃথিবীর। আগামী ৫০০ বছরে আর এত কাছে আসবেও না।
গ্রহাণুটির নাম- ‘২০১৪-জেও-২৫’। মাত্র তিন বছর আগে, ২০১৪-য় আরিজোনার টাকসনে ক্যাটলিনা স্কাই সার্ভে টেলিস্কোপ দিয়েই প্রথম এই বিশাল গ্রহাণুটির হদিশ পান জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। নাসা জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত হিসেব কষে যেটুকু বোঝা গিয়েছে, তাতে চেহারায় ওই গ্রহাণুটি হবে প্রায় ২ হাজার ফুট বা ৬৫০ মিটার। তার মানে, কোনও ঘরের উচ্চতা যদি হয় ১০ ফুট, তা হলে প্রায় ২০০ তলা বাড়ির মতো চেহারা ওই গ্রহাণুটির।
তবে গ্রহাণুটি খুবই ঝকঝকে, উজ্জ্বল। অবশ্যই তা নিজের আলোয় নয়। সূর্যের আলো তার পিঠে পড়লে তা অনেকটাই প্রতিফলিত হয়। আর সেই প্রতিফলনের মাত্রাটা কত, জানেন? চাঁদ থেকে যতটা আলো প্রতিফলিত হয়, তার দ্বিগুণ। তাই অত ঝকঝকে, অত উজ্জ্বল এই গ্রহাণুটি।
তবে নাসা জানাচ্ছে, গ্রহাণুটি কী পদার্থ দিয়ে তৈরি, তার সারফেস বা পিঠটা কেমন, সে সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত বিশেষ কিছু জানা যায়নি। এমনকী, সেই গ্রহাণুটির ট্র্যাজেক্টরি বা গতিপথ ঠিক কী রকম, সেটাও এখনও পর্যন্ত সঠিক ভাবে জানা সম্ভব হয়নি। শুধু হিসেব কষে এটুকু জানা গিয়েছে, ১৯ এপ্রিল সেটি যখন আমাদের সবচেয়ে কাছে আসবে, তখন পৃথিবী থেকে সেটি থাকবে ১১ লক্ষ মাইল বা ১৮ লক্ষ কিলোমিটার দূরে। তার মানে, চাঁদ যতটা দূরে রয়েছে পৃথিবীর, তার সাড়ে ৪ গুণ দূরত্বে পৃথিবীর পাশ কাটিয়ে আমাদের নিরাপদে রেখেই চলে যাবে গ্রহাণুটি। টেলিস্কোপে দেখা যাবে সেই গ্রহাণুটিকে।
এখন ইউটিউবে অর্থ আয় করতে হলে...

এখন ইউটিউবে অর্থ আয় করতে হলে...



ইউটিউব চ্যানেলগুলোর জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া চালু করেছে গুগল।ইউটিউব চ্যানেলগুলোর জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া চালু করেছে গুগল।ইউটিউবে চ্যানেল খুলে তাতে ভিডিও আপলোড করার মাধ্যমে অর্থ আয় করা যায়। এত দিন ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে খুব সহজে অর্থ আয় করার সুযোগ থাকলেও এবারে যথেষ্ট কঠোর হচ্ছে গুগল কর্তৃপক্ষ। ইউটিউব গুগলের ভিডিও সেবা।
এত দিন ইউটিউবে চ্যানেল খুলে এক ভিডিওর নামে অন্য ভিডিও দিয়ে দর্শকদের ধোঁকা দেওয়ার প্রবণতা ছিল। ‘ভিউ’ বাড়ানোর চেষ্টা হিসেবে অনেক চ্যানেলেই আপত্তিকর কনটেন্ট দেখা গেছে। অনেক সময় ভিডিওর থাম্বনেইলে এক আকর্ষণীয় বিষয়, কিন্তু ভেতরে থাকে বিরক্তিকর ভিডিও। এতে যেমন দর্শক ওই ভিডিওতে বিরক্ত হন, তেমনি বিরক্ত হন বিজ্ঞাপনদাতারা।
গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে গুগল কর্তৃপক্ষ ইউটিউব চ্যানেলগুলোর জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া চালু করেছে। এ ছাড়া যেসব চ্যানেলে ১০ হাজারের কম ভিউ রয়েছে, সেগুলোতে বিজ্ঞাপন দেখানো বন্ধ করে দিয়েছে। গুগল কর্তৃপক্ষ বলছে, আপত্তিকর ও পাইরেটেড ভিডিও প্রদর্শন করে অর্থ আয়ের সুবিধা বন্ধ করতে এ উদ্যোগ নিয়েছে তারা।
এর কারণ হচ্ছে আপত্তিকর কনটেন্ট বা ভিডিওর জন্য গুগলের ইউটিউবে বিজ্ঞাপন বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ড। বিষয়টি নিয়ে গুগল বেশ অস্বস্তিতে রয়েছে। ব্র্যান্ডগুলো মনে করছে, ইউটিউবের আপত্তিকর ভিডিওতে তাদের বিজ্ঞাপন দেখানো হলে মানুষ ওই ভিডিওর সঙ্গে তাদের ব্র্যান্ডের তুলনা করবে।
বিজ্ঞাপন দেখানোর নতুন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে পণ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিয়েল বারডিন বলেন, ‘নতুন মান নির্ধারণ করার ফলে কোনো চ্যানেলের বৈধতা দেওয়ার বিষয়ে আমাদের কাছে যথেষ্ট তথ্য থাকবে। কমিউনিটি গাইডলাইন বা বিজ্ঞাপন নীতিমালা মানা হচ্ছে কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বারডিন বলেছেন, যাঁরা অর্থ আয় করার লক্ষ্যে নতুন করে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন, (নিউ ক্রিয়েটরস) তাঁদের জন্য পর্যালোচনা প্রক্রিয়া চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে গুগলের।
যখন কোনো চ্যানেলের ভিউ বা ভিডিও দর্শক ১০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে, তখন ওই চ্যানেলের ভিডিওগুলো পর্যালোচনা করে দেখা হবে। যদি ওই ভিডিও ইউটিউবের কোনো নীতিমালা ভঙ্গ করে, তখন আর বিজ্ঞাপন পাবে না। এই প্রক্রিয়ার ফলে এখন থেকে শুধু প্রকৃত ও নিয়মনীতি অনুসরণকারী ভিডিও নির্মাতারাই আয়ের সুযোগ পাবেন।
গুগলের এখন বিজ্ঞাপনদাতাদের খুশি করা ও ভিডিও নির্মাতাদের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে হবে। গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্প্রতি নতুন একধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত সিস্টেম তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে ইউটিউব ভিডিও নীতিমালা মানতে বাধ্য করা হবে। এতে বিজ্ঞাপনদাতাদের চোখে আপত্তিকর ভিডিওগুলোকে বাছাই করতে সুবিধা হবে। এতে বিজ্ঞাপনদাতাদের পছন্দ প্রতিফলিত হবে।
এ ছাড়া বিজ্ঞাপনদাতাদের বিজ্ঞাপন যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত চ্যানেলে পোস্ট না হয়, তা খেয়াল করতে থার্ড পার্টির সঙ্গে কাজ করবে গুগল। ইউটিউব ভিডিওতে যাতে চরমপন্থী বিষয়বস্তুর সঙ্গে বিজ্ঞাপন না দেখায়, সে ভয়ে বিজ্ঞাপনদাতারা পিছু হটছে। তাই বিজ্ঞাপনদাতাদের হাতে অধিকতর নিয়ন্ত্রণ দিচ্ছে গুগল।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে টাইমস নিউজপেপার অব লন্ডন ইউটিউব থেকে বিজ্ঞাপন সরিয়ে নিলে প্রথম ধাক্কা খায় গুগল। পরে এটিঅ্যান্ডটি, ভেরিজনের মতো প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন সরিয়ে নিয়েছে। এরপর থেকে বিজ্ঞাপন নীতিমালার ক্ষেত্রে কঠোর হয়েছে গুগল। এখন তাই ইউটিউব চ্যানেল খুলে অর্থ আয় করতে গেলে প্রকৃত কনটেন্ট সরবরাহ করে দর্শক টানতে হবে। তা না হলে চ্যানেলের জন্য অর্থ দেবে না গুগল। তথ্যসূত্র: এএফপি।

Thursday, April 6, 2017

বিশ্বের ভয়ংকরতম হ্যাকারদের শীর্ষ পাঁচ

বিশ্বের ভয়ংকরতম হ্যাকারদের শীর্ষ পাঁচ



বিশ্বের ভয়ংকরতম হ্যাকারদের শীর্ষ পাঁচ
প্রযুক্তি আর ইন্টারনেটের যুগে গোপনীয়তাকে নিরাপত্তা প্রদানি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি মনে করেনক আপনি বিশ্বের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা গ্রহণ করেছেন, তবে ভুল করছেন। কারণ আপনি হয়তো এদের চেনেন না বা নাম শোনেননি। আসলে ইন্টারনেটে হুমকি মানেই হ্যাকারদের কথা চলে আসে। এখানে তাদের কথাই বলা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বের বড় বড় ইন্টারনেট নিরাপত্তাবেষ্টনীতেও একটা যেন এক একজন মূর্তিমান বিভীষিকা। এখানে চিনে নিন বিশ্বের সব ভয়ংকর হ্যাকারদের সেরা পাঁচের কথা। এরা চাইলে এমন কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই যা কিনা ভেদ করা সম্ভব নয় বলে ধরে নিতে পারেন।
৫. রবার্ট টাপ্পান মোরিস :

সেরা পাঁচের শেষেই বলা যায় রবার্ট টাপ্পান মোরিসের কথা। তিনিই কুখ্যাত 'মোরিস ওয়ার্ম' তৈরি করেছিলেন। সেই ১৯৮৮ সালে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এটি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন। সেই সময় ৬ হাজার কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই ভাইরাসে। তিনিই প্রথম যাকে 'কম্পিউটার ফ্রড অ্যান্ড অ্যাবইউজ অ্যাক্ট' এর অধীনে অভিযুক্ত করা হয়।
৪. কোডি ক্রেটসিঙ্গার :

হ্যাকার দল 'লুলজসেক' এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অন্যান্য সদস্যদের কাছে তিনি 'রিকার্সিওন' নামে সুপরিচিত ছিলেন। ২০১১ সালে সনির প্লেস্টেশন হ্যাক করে তিনি ৭৭ মিলিয়ন মানুষের তথ্য হাতিয়ে নেন। টানা ২৪ দিনের জন্য সেই নেটওয়ার্কে বিভ্রাট সৃষ্টি করে রাখেন। তাকে অভিযুক্ত করা হয় ২০১৩ সালে। কোনো কর্মআদর্শ ছাড়াই স্রেফ খেয়াল বশে তিনি মারাত্মক সব হ্যাকিংয়ের কাজ করে বসেন। পয়সার লোভেও এসব করতেন না তিনি।
৩. জ্যাকব অ্যাপেলবাউম :

বিখ্যাত উইকিলিকস হ্যাকিংয়ের সঙ্গে যুক্ত তিনি। খারাপ অতীত কেটেছে তার। দত্তক সন্তান হিসাবে বেড়ে ওঠেন। পরে হেরোইনে আসক্ত বাবার কাছে ছিলেন। পরে কম্পিউটারে আসক্ত হন। পরে উইকিলিকস ঘটনার চেনামুখ হয়ে ওঠেন। ই-মেইল পাঠানোর পথ বদলে দিতেন তিনি। আমেরিকা থেকে ইরাকে কোনো ই-মেইল পাঠালে তার কল্যাণেই তা গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে আরো অনেক স্থান হয়ে তবেই ইরাকে পৌঁছতো।
২. কেভিন মিটনিক :

বিশ্বের ভয়ংকরতম হ্যাকারদের শীর্ষস্থান তার নাম আসতে পারে। তিনি এবং এ তালিকার পরেরজন নিঃসন্দেহে শীর্ষেই অবস্থান করেন। এখন তিনি সম্মানের সঙ্গে ব্যবসা করছেন। তিনি তার ক্লায়েন্টের প্রতিষ্ঠানের ইন্টারনেটে নিরাপত্তাব্যবস্থা প্রদান করেন। আমেরিকার ডিপার্টমেন্ট জাস্টিসের কম্পিউটারে অনধিকার প্রবেশ করে ১৯৯৫ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বলা হয়, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে তিনি চাইলে নিউক্লিয়ার মিসাইল আক্রমণ ঘটাতে পারতেন। বছর পাঁচেক জেল খাটার পর নিজেকে গুছিয়ে এনেছেন মূল ধারার ব্যবসায় এসে।
১. গ্যারি ম্যাককিনন :

মিটনিককে ছাপিয়ে গেলেন ম্যাককিনন। তিনি পেন্টাগনের কম্পিউটারগুলোকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন। ২০০১-২০০২ সালের মধ্যে আমেরিকার স্পর্শকাতর সময়ে তিনি ইউএস মিলিটারি আর নাসার কম্পিউটার হ্যাক করেন লন্ডনে নিজের গোপন স্থানে বসে। এসব কম্পিউটারের তথ্য মুছে দেওয়াসহ তাদের পাসওয়ার্ড বদলে দেন তিনি। সরকারবিরোধী মেসেজও লিখে দেন কম্পিউটারগুলোতে। হুমকি দেন যে, সর্বোচ্চ স্তেএর নিরাপত্তাব্যবস্থা ভাঙতেই থাকবেন তিনি। আরো মারাত্মক ঘটনা ঘটানোর আগেই তাকে থামানো হয়। সূত্র: ইন্টারনেট

ধীরগতির ইন্টারনেটের জন্য এলো ইউটিউব গো



ধীরগতির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের স্বচ্ছন্দে অনলাইনে ভিডিও দেখার সুযোগ দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ইউটিউব গো’ অ্যাপ উন্মুক্ত করেছে গুগল। গত সেপ্টেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে অ্যাপটি বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। ইউটিউব অ্যাপের নতুন এ সংস্করণটি কাজে লাগিয়ে বন্ধুদের কাছে পছন্দের ভিডিও পাঠানোরও সুযোগ মিলবে। শুধু তা-ই নয়, ইউটিউব থেকে কোনো ভিডিও ডাউনলোডের জন্য কত ইন্টারনেট ডাটা খরচ হবে তা আগেভাগেই জানা যাবে।
ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ধীরগতির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখেই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গুগল।
টেক প্রতিদিন ডেস্ক, সূত্র : ম্যাশেবল

Tuesday, April 4, 2017

৯৯ শতাংশই ফেসবুকার!

৯৯ শতাংশই ফেসবুকার!


ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য। ছবি: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে।ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য। ছবি: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে।বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী বাড়ছে। ২০১৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী ছিল ১ কোটি ৭০ লাখ। ওই সময় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৫ লাখ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, বর্তমানে দেশে ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছেন। দেশে যত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহৃত হচ্ছে, এর মধ্যে ৯৯ শতাংশই ফেসবুক। তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক প্রেজেন্টেশনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন বা ২ কোটি ৩৩ লাখ মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছেন। এর মধ্যে ১ কোটি ৭০ লাখ পুরুষ আর ৬৩ লাখ নারী। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ৯৩ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে। এর মধ্যে মোবাইল ডিভাইস থেকে ২ কোটি ২৬ লাখ মানুষ ফেসবুকে ঢুকছেন। যার মধ্যে ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করছেন। ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ফেসবুক ব্যবহারকারী মাত্র ১৯ লাখ। থ্রিজিতে ফেসবুক ব্যবহারকারী ১ কোটি ৯০ লাখ। বাংলাদেশে ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন আছেন ২৯ লাখ।
বাংলাদেশে সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সূত্র বলছে, তাদের কাছে ফেসবুকের সঠিক ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য নেই। সরকারের দেওয়া তথ্য তারা ব্যবহার করে। ব্যবহারকারীর হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো অনেক পেছনে।
বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহার বিষয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী বাড়ছে। এদের অধিকাংশ তরুণ। বিষয়টি ইতিবাচক। তবে ফেসবুক মানেই কিন্তু ইন্টারনেট নয়। বাংলাদেশে যত ডেটা ব্যবহৃত হচ্ছে তার সিংহভাগই ফেসবুক ব্যবহারে খরচ করা হচ্ছে। যেহেতু ইন্টারনেট বাড়ছে, ফেসবুক ব্যবহার স্বাভাবিক গতিতে বাড়বে। ইন্টারনেট হাতে থাকলে মানুষ তাঁর দরকারে ব্যবহার করবেন এটাই নিয়ম। বাংলাদেশে যেহেতু অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ সাইটের ব্যবহার কম, তাই ফেসবুক ব্যবহারকারী বেশি হওয়া স্বাভাবিক।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও বিডিনগের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ সাবির বলেন, ব্যান্ডউইডথের হিসাব ধরলে দেখা যায়, ফেসবুকের সঙ্গে সম্পর্কিত ট্রাফিক এখন বেশি। এই মুহূর্তে যদি ৬০ গিগাবাইট ডেটার কথা বলা হয়, এর ২০ শতাংশই ফেসবুকের। অর্থাৎ ইন্টারনেটের এক-তৃতীয়াংশ এখন ফেসবুক ট্রাফিক। আর বাকিটা গুগল ও অন্যান্য। বিষয়টি এমন—যাঁদের মোবাইল আছে, সবারই ফেসবুক আছে।
বিশ্বে ফেসবুক ব্যবহারকারী
গত ফেব্রুয়ারি মাসে বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আয় ঘোষণার সময় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছিল, মাসিক সক্রিয়তার হিসাবে বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮৬ কোটি পেরিয়েছে। গত বছরের ২ নভেম্বর ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১৭৯ কোটি। অর্থাৎ বর্তমানে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আছে। ইন্টারনেট নজরদারির ওয়েবসাইট ইন্টারনেট লাইভ স্ট্যাটসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত হিসাবে ধরলে বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৪২ কোটি। অর্থাৎ বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৫২ শতাংশই প্রতি মাসে অন্তত একবার ফেসবুকে ঢোকেন।
ফেসবুকের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে মোবাইল যন্ত্র থেকে ফেসবুকে ঢোকার হার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি। প্রতি মাসে মোবাইল থেকে অন্তত একবার ফেসবুকে ঢোকেন ১৭৪ কোটি মানুষ। বর্তমানে ফেসবুকের দৈনিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ১২৩ কোটি, যা গত বছরের চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি। মোবাইলে দৈনিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১৪ কোটি ৯০ লাখ, যা গত বছরের চেয়ে ২৩ শতাংশ বেশি।
গত প্রান্তিকের ফল অনুযায়ী, এশিয়ার বাজারে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি ঘটেছে ফেসবুকের। এর মধ্যে শেষ প্রান্তিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাজার ছিল ভারত। তবে এখনো চীনে ফেসবুক ঢোকার অনুমতি পায়নি।

Monday, April 3, 2017

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় এই ১০ স্মার্টফোন

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় এই ১০ স্মার্টফোন




বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় এই ১০ স্মার্টফোন
কোন স্মার্টফোন ঘিরে গোটা দুনিয়ায় চাহিদা সবচেয়ে তুঙ্গে? ২০১৬-র হিসেব বলছে স্যামসাংকে ফের হারিয়ে দিয়েছে অ্যাপেল। এক ঝলক দেখে নেয়া যাক চাহিদার নিরিখে সেরা ১০টি স্মার্টফোন কোনগুলি। আইএইচএস মার্কিট স্মার্টফোন শিপমেন্ট ডেটাবেসের হিসেব অনুযায়ী এই তালিকা বানানো হয়েছে।
* Apple iPhone 6S
২০১৬-য় সবেচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে অ্যাপেলের আইফোন 6S-এর। ২০১৫-র সেপ্টেম্বরে এটি লঞ্চ করে। কমার্স ওয়েবসাইটগুলিতে বর্তমানে এই ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ৩৮,০০০ টাকায়।
* Apple iPhone 7
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাপেলেরই আইফোন 7। অ্যাপেলের এই কারেন্ট ফ্ল্যাগশিপ গত অক্টোবরে ভারতে আসে। এর দাম এখন মোটামুটি ৫০,০০০ টাকার মতো।
* Apple iPhone 7 Plus
আইফোন 7 প্লাস পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬০,০০০ টাকায়। এর ৫.৫ ইঞ্চিল ডিসপ্লে, ৭ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা গোটা দুনিয়া জুড়ে ফোনটির চাহিদা তুঙ্গে রেখেছে।
* Apple iPhone 6S Plus
আইফোন 6এস প্লাস চাহিদারি নিরিখে আছে চার নম্বরে। ভারতের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ৪৪,০০০ টাকায়।
* Samsung Galaxy S7 edge
এই চালিকায় স্যামসাং-এর প্রথম এন্ট্রি পাঁচ নম্বরে। সেখানে রয়েছে গত বছরের ফ্ল্যাগশিপ গ্যালাক্সি এস 7 এজ। ২০১৬-র মার্চে ভারতে লঞ্চ করে ফোনটি। দাম প্রায় ৪৪,০০০ টাকা।
* Samsung Galaxy J3 (2016
ছয় নম্বরে রয়েছে স্যামসাং-এর বাজেট স্মার্টফোন গ্যালাক্সি জে3। গত বছর মার্চে ভারতে আসা এই ফোনের দাম মাত্র ৮,৯৯০ টাকা। এর বাইক মোড ফিচারের জনপ্রিয়তা যথেষ্ট।
* Oppo A53
অ্যাপেল ও স্যামসাং ছাড়া একমাত্র অন্য যে কোম্পানি এই তালিকায় ঢুকেছে তা হল ওপ্পো। ২০১৫-র ডিসেম্বরে লঞ্চ করা এর এ53 ফোনটি জনপ্রিয়তা যথেষ্ট। পাওয়া যাচ্ছে ১৯,০০০ টাকায়।
* Samsung Galaxy J5 (2016)
৫.২ ইঞ্চি স্ক্রিনের এই ফোনের দাম ১০,০০০ টাকা।
* Samsung Galaxy S7
সারা বিশ্বে সবচেয়ে চাহিদা যে ফোনগুলির, তার মধ্যে নবম স্থানে রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস7। গত বছর মার্চে লঞ্চ করা এই ফোনের দাম ৪০,০০০ টাকা।
* Samsung Galaxy J7
তালিকায় দশ নম্বরে রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি জে7। গত বছর মে মাসে লঞ্চ করা এই ফোনের দাম ভারতীয় বাজারে ১৫,৯৯০ টাকা।
সূত্র: এই সময়
গুগল ডুডলে এফ আর খান

গুগল ডুডলে এফ আর খান


 আজ বিশ্বখ্যাত স্থপতি ফজলুর রহমান খানের (এফ আর খান) ৮৮তম জন্মদিন। স্থাপত্যশিল্পের আইনস্টাইনখ্যাত এই ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করেছে গুগল। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ডুডল তৈরি করেছে সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সার্চ ইঞ্জিন। ডুডলে দেখা যাচ্ছে, সিয়ারস টাওয়ারসহ (এখন করা উইলিস টাওয়ার) কয়েকটি ভবন দিয়ে লেখা হয়েছে গুগল শব্দটি। একপাশে জুড়ে দেওয়া হয়েছে এফ আর খানের ছবি।
একসময় এফ আর খানের নকশা করা যুক্তরাষ্ট্রের এই সিয়ারস টাওয়ারই ছিল বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন। ১১০তলা, ১ হাজার ৪৫৪ ফুট উঁচু এই ভবনই তাঁকে এনে দেয় বিশ্বখ্যাতি।
স্থপতি এফ আর খানের জন্ম মাদারীপুরের শিবচরে, ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল। ১৯৫০ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থানসহ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ১৯৫২ সালে বৃত্তির সুবাদে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানকার ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় থেকে এফ আর খান দুটি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি ও একটি বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন মাত্র তিন বছরে। তারপর দেশে ফিরে কিছুদিন অধ্যাপনাও করেন—যোগ দিয়েছিলেন করাচি ডেভেলপমেন্ট অথরিটিতে। একসময় আবার পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৬০ সালে মার্কিন স্থাপত্য সংস্থা স্কিডমুর-ওয়িংস-মেরিলে যোগ দেন পুনরায়। তাঁর পছন্দের বিষয় ছিল স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
এফ আর খান ১৯৮২ সালে মাত্র ৫২ বছর বয়সে মারা যান।
অজান্তেই চলে যাচ্ছে অনেক তথ্য

অজান্তেই চলে যাচ্ছে অনেক তথ্য

 পিসি পিটস্টপ নামের এক সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ২০০৫ সালে তাদের সফটওয়্যার ব্যবহারের চুক্তিপত্রে এক শর্ত জুড়ে দিয়েছিল। সেই শর্ত পড়ে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যে যোগাযোগ করবে, তাকে ১ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। এক ক্রেতা যোগাযোগ করেছিলেন বটে; তা-ও পাঁচ মাস পরে। তত দিনে সফটওয়্যারটির ৩ হাজার কপি বিক্রি হয়ে গেছে। ঘটনাটি কিংবদন্তির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। এক যুগ পরে এখনো সেই উদাহরণ টানা হয়। কারণ ‘এন্ড ইউজার লাইসেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ হোক আর ‘টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন’-ই হোক, এখনো সবাই ‘বাই ক্লিকিং ওকে ইউ কনফার্ম দ্যাট ইউ হ্যাভ রিড...’ অংশে ‘কনফার্ম’ করেন বটে, কিন্তু ‘রিড’ করেন না। অর্থাৎ, চুক্তির নিয়মকানুনের মধ্যে যতই লেখা থাকুক যে ‘ওকে’ করা মানে ধরে নেওয়া হবে যে গ্রাহক চুক্তির পুরোটাই পড়েছেন, বেশির ভাগ ব্যবহারকারীই ‘ওকে’ বা ‘অ্যাগ্রি’ করেন ঠিকই, কিন্তু পড়ে দেখেন না।
আপনি যখন ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে কোনো ওয়েবসাইট দেখছেন, গুগলে তথ্য খুঁজছেন কিংবা ফেসবুকে ব্যক্তিগত বার্তায় যে কথাগুলো লিখছেন তার কোনোটাই এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নজরদারির বাইরে থাকে না। প্রতিষ্ঠানগুলো যে এমনটা করছে তা কিন্তু আবার বেআইনিও নয়। কারণ আপনি পড়ে বা না পড়ে শর্ত মেনেই তাদের সদস্য হয়েছেন। আপনি নিজেই আপনার ব্যক্তিগত তথ্যে তাদের হস্তক্ষেপের সুযোগ করে দিয়েছেন। এ তো গেল একটা দিক, বিনা মূল্যের এই সেবাগুলো আপনার তথ্য যে কী পরিমাণ মূল্যে বিক্রি করছে, তার একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা যাক।
অনলাইন সেবা কি বিনা মূল্যের?
ইন্টারনেটভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো যতটা না বিনা মূল্যে আপনাকে সুবিধা দিচ্ছে, তার চেয়েও বেশি মূল্যের তথ্য নিচ্ছে আপনার কাছ থেকে। কীভাবে? সাধারণত ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে আপনি তথ্য খোঁজা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার কিংবা অনলাইনে গেম খেলা থেকে শুরু করে খবরও পড়েন বিনা মূল্যে। এটা আসলে তথ্যের বিনিময়ে সেবা, যেখানে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলো আপনাকে সেবা দেওয়ার বিনিময়ে ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করে দিচ্ছে তৃতীয় পক্ষের কাছে। আপনার পছন্দ, অনলাইনে আপনার চালচলন বুঝে তারা সে অনুযায়ী আপনাকে বিজ্ঞাপন দেখাচ্ছে। এখানে পণ্য হলো ব্যবহারকারীর তথ্য, অন্যভাবে বললে ব্যবহারকারী নিজেই।
যেভাবে হয় তথ্যের বিনিময়
একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। ঢাকার স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসনের স্নাতক শ্রেণির ছাত্রী ফারিহা ইসলাম তাঁর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তোলা কিছু ছবি ফেসবুকে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করলেন। কিছুক্ষণ যেতেই হয়তো ছবিতে ১০০টি লাইক আর ৫০টি মন্তব্য এল বন্ধু ও স্বজনদের কাছ থেকে। ফারিহা তো বেশ খুশি। এ কারণেই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তাঁর খুব পছন্দের। তিনি কিন্তু বুঝতে পারছেন না তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দের তথ্য কতটা নিরাপদ। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে যতটা না সহজ করেছে, তার চেয়ে বেশি করছে নির্ভরশীল। এক মুহূর্তের জন্য শখের স্মার্টফোনটা না থাকলেই মনে হয় কি যেন নেই। আমরা যখন গুগল বা ফেসবুকে নিজের একটি অ্যাকাউন্ট খুলছি, তখন একটা চেক বক্স সব সময়ই পাশ কেটে যাই। সেখানে আপনি নিজেই আপনার ব্যক্তিগত তথ্যে তাদের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ দিয়েছেন। তাই শর্ত পড়াটা অনেকাংশেই জরুরি।
যেভাবে তথ্য চলে যায়
যখন বিজ্ঞাপনের কথা চলে আসে, আপনার ব্যক্তিগত তথ্য তখন অবিশ্বাস্যভাবেই বেশ মূল্যবান। আর ব্যক্তিগত তথ্যের বিষয় এলে তো আর কোনো কথাই চলে না । আপনি যখন ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যারগুলো দিয়ে কোনো ওয়েবসাইট দেখছেন, গুগল বা অন্য বড় সেবাদাতা সাইটগুলো তার বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক থেকে আপনাকে অনুসরণ বা ট্র্যাক করছে। গুগল দিয়েই যদি শুরু করা যায়, তবে সে কথা শেষ করতেও হিমশিম খাওয়ার জোগাড় হবে।
আপনি কী ধরনের ওয়েবসাইট দেখেন, মানে আপনার ওয়েবসাইট দেখার প্রবণতা বুঝে নেয় গুগল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর প্রোগ্রাম ব্যবহার করে গুগল আপনার ‘ব্রাউজিং প্যাটার্ন’ বুঝে নিয়ে আপনার চাহিদাগুলো কুকিতে রেখে দেয়। কুকি হলো একটি টেক্সট স্ট্রিং, যা কোনো ওয়েব সার্ভারের ইউজারের লোকাল স্টোরেজে (হার্ডডিস্ক) সংরক্ষণ করে সাইটের সঙ্গে যোগাযোগকে সহজতর করে। কুকিতে থাকা সব তথ্যই নেম-ভ্যালু পেয়ার আকারে সংরক্ষিত থাকে৷ চাইলেই ব্রাউজারভেদে কুকিগুলো দেখা যায়। ওয়েব সার্ভার কুকি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর বর্তমান উপস্থিতি বুঝে সে অনুযায়ী যোগাযোগ করে থাকে৷ মূলত কুকি দুই ধরনের। সেশান কুকি আর পারসিস্টেন্ট কুকি। সেশান কুকি ব্রাউজার বন্ধ না করা পর্যন্ত স্থায়ী হয়৷ এটি ইউজারের চলতি তথ্য ধারণ করে থাকে। সেশান কুকির মেয়াদকাল খুবই স্বল্প সময়ের হয় এবং ওয়েব ব্রাউজার পুরোপুরি বন্ধ হলেই শেষ হয়ে যায়৷ আর পারসিস্টেন্ট কুকি ব্রাউজার বন্ধ করার পরও সিস্টেমে থেকে যায়৷ এটি মুছে ফেলা যায় শুধু ম্যানুয়ালি অথবা সেগুলোকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া এক্সপায়ার্ড টাইমে পৌঁছালে৷ এই কুকিগুলো একবার শেষ হয়ে গেলে ব্যবহারকারীকে প্রয়োজনীয় অথেটিকেশনের মাধ্যমে ফ্রেশ কুকি তৈরি করতে হয়৷ এ ছাড়া আরও অনেক কুকি রয়েছে।
গুগল যেভাবে তথ্য নেয়
এবার গুগলের বিজ্ঞাপন দেখানোর কৌশলের ব্যাপারে আসি। যেমন, আপনি খেলার খবর নিতে বা দেখতে পছন্দ করেন। তাই নিয়মিত খেলাধুলার যে ওয়েবসাইটগুলোতে বেশি যান বা ইউটিউবে খেলাধুলার ভিডিও বেশি দেখেন। গুগল আপনার ব্রাউজিং প্যাটার্ন অনুযায়ী গুগল কুকিতে স্পোর্টস ইন্টারেস্ট বিভাগে আপনার তথ্য রেখে দেবে এবং দরকারে স্পোর্টস-সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপনগুলো আপনাকে দেখাবে। এ রকম অসংখ্য ক্যাটাগরি অনুযায়ী তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন দেখায় গুগল। তেমনি অন্যান্য সাইটও আপনাকে তাই দেখাবে, আপনি যা পছন্দ করেন।
গুগলে যুক্ত থাকা (লগ-ইন) অবস্থায় কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখতে চান, তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে https://goo.gl/Wmul2F এই ঠিকানার ওয়েবসাইটে গিয়ে। এ ছাড়া গুগল আপনার তথ্য নিয়ে নানামুখী চ্যানেলে তা ব্যবহার করে। আবার আপনি যে আইপি ঠিকানা থেকে গুগলের সেবা ব্যবহার করছেন, ব্রাউজার কুকি বা গুগল কুকি ব্যবহার করেও আপনার থেকে তথ্য নিয়ে থাকে। এসব ব্যবহার করে গুগল ট্রেন্ডস, গুগল ইনসাইটস ফর সার্চ সেবাগুলোকে সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
ফেসবুক যেভাবে তথ্য নেয়
ফেসবুকে থাকা অবস্থায় নিউজফিডে বন্ধু বা লাইক করা পেইজে কে কী শেয়ার করেছেন সেটি স্ক্রল করছেন। হঠাৎ অ্যাড চলে এল, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর অ্যাড দেখাতে ফেসবুক আপনার ব্যক্তিগত শতাধিক তথ্য নিয়ে থাকে। আপনার বর্তমান অবস্থান, বয়স, লিঙ্গ, ভাষা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, স্কুল, কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে এমন অনেক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে অ্যাড দেখায়। আপনি যতক্ষণ ফেসবুকে লগ-ইন থাকছেন, ঠিক সেই সময় ভার্চুয়ালি অন্য কোনো সাইটে ভিজিট করলে সেটি ফেসবুক জানতে পারে। আপনি লগ-আউট হলেও আপনার অনলাইনে আছেন কি না, ফেসবুক তা পর্যবেক্ষণ করে থাকে। আপনি কখন কোন পেইজে লাইক দিলেন, কার পোস্ট শেয়ার করলেন—সবই পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকে। ফেসবুককে কিছু কোড দেওয়া হয়, যা ফেসবুক পিক্সেল নামে পরিচিত। এটিকে এক্সটেশানও বলা হয়ে থাকে। এটি ব্যবহার করে ভিজিটরকে ফেসবুক দিয়ে লগ-ইন করানো যায়। আপনি কোন অ্যাড দেখবেন, কোনটা দেখবেন না, সেটির নিয়ন্ত্রণও ফেসবুক দিয়ে থাকে। তাতে এই বোঝায় না যে ফেসবুক আপনার ওপর নজরদারি করবে না! আপনি চাইলে ফেসবুকে লগইন থাকা অবস্থায় https://www.facebook.com/ads/preferences/ লিংকে গিয়ে কোন অ্যাড দেখবেন, কোনটা দেখবেন না, সেটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
তবে উপায়?
আপনি যদি চান ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর কোনো প্রতিষ্ঠান নজরদারি করবে না, কিন্তু তাদের সেবা আপনি ব্যবহার করে যেতে চান! তাহলে বলতে হবে এমন কোনো সুযোগ আসলে নেই। আপনি চাইলেই তাদের সেবা ব্যবহার করুন, কিন্তু বিনিময় ছাড়া বিনা মূল্যে কিছুই জুটবে না। প্রযুক্তির সঙ্গে লড়তে হবে প্রযুক্তির জ্ঞান দিয়েই। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য বা ব্রাউজিং কর্মকাণ্ড নিরাপদ রাখতে হলে সজাগ রাখতে হবে নিজেকেই।

Saturday, April 1, 2017

পথচারী মৃত্যুর মূল কারণ মুঠোফোন

পথচারী মৃত্যুর মূল কারণ মুঠোফোন


যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় পথচারী মৃত্যুর কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে অন্যমনস্ক হয়ে মুঠোফোনের ব্যবহারযুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় পথচারী মৃত্যুর কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে অন্যমনস্ক হয়ে মুঠোফোনের ব্যবহারযুক্তরাষ্ট্রে হঠাৎ করেই বেড়েছে দুর্ঘটনায় পথচারী মৃত্যুর হার। এই মৃত্যুর হার বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ অন্যমনস্ক হয়ে মুঠোফোনের ব্যবহার। দেশটিতে ২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ছয় হাজার পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। গত দুই দশকে এত বেশি পথচারী মৃত্যুর নজির আর নেই।
মার্কিন গভর্নরস হাইওয়ে সেফটি অ্যাসোসিয়েশনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে অন্যান্য কারণের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফলে গাড়িচালকের সংখ্যা বৃদ্ধি, জ্বালানির মূল্যহ্রাস এবং স্বাস্থ্য রক্ষা ও পরিবেশগত কারণে হাঁটার পরিমাণ বৃদ্ধি। মারাত্মক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৪ শতাংশ পথচারী ও ১৫ শতাংশ চালকের কারণ হিসেবে মদ্যপানের উল্লেখও সেখানে ছিল।
যুক্তরাজ্যের রয়াল সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অব অ্যাকসিডেন্টস সংস্থাও মনোযোগ হারানো বা ডিসট্র্যাকশনের অন্যতম কারণ হিসেবে মুঠোফোনের উল্লেখ করেছে। সংস্থাটির সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপক নিক লয়েড বলেন, ‘ডিসট্র্যাকশনের ফলে আরও বেশি তরুণ আহত হচ্ছে, বিশেষ করে রাস্তা পারাপারের সময় মুঠোফোন ব্যবহারের কারণে। সেটা মুঠোফোনে কথোপকথন, গান শোনা, বার্তা আদান-প্রদান কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণে হতে পারে।’
স্মার্টফোন ‘জোম্বি’
বিশ্বজুড়ে বেশ কিছু শহরে রাস্তায় ডিজিটাল ডিসট্র্যাকশন ঠেকাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে স্থানীয় সরকার। জার্মানির অগসবার্গ শহরে যেমন রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় ভূমিতে লাল-সবুজ বাতি বসানো হয়েছে। এর পেছনে কারণ, রাস্তায় যারা স্মার্টফোনে নাক-মুখ গুঁজে চলাচল করে, তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ।
নেদারল্যান্ডসের বোদেগ্রাভেন শহরে গত ফেব্রুয়ারিতে একধরনের ট্রাফিক বাতির পরীক্ষা চালানো হয়েছে, যেগুলো ফুটপাথজুড়ে লাল বা সবুজ আলো ফেলবে। এই আলো ফেলার কারণ একটাই—স্মার্টফোন জোম্বিদের দৃষ্টি আকর্ষণ। রাস্তায় মনোযোগ কেড়ে নেওয়ার পেছনের কারণ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, গেম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং গানের কথা বলছেন তাঁরা।
মেহেদী হাসান, সূত্র: বিবিসি

Friday, March 24, 2017

১০ বছর পর কেমন হবে কেনাবেচা?

১০ বছর পর কেমন হবে কেনাবেচা?



ওয়ালমার্টের প্রধান নির্বাহী ও প্রেসিডেন্ট ডগ ম্যাক মিলন জানিয়েছেন, আজ থেকে ১০ বছর পরে পণ্য ক্রয়ের অভিজ্ঞতা কেমন হবে। ৮টি ধারার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। এখানে সেই ৮টি ধারা তুলে ধরা হলো।
* সেন্সর এবং ডিজিটাল যন্ত্রের সাহায্যে প্রত্যেক গ্রাহকের নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা দেওয়া হবে। গ্রাহকের ইন্টারনেট ব্যবহারের ও অতীতে পণ্য ক্রয়ের তথ্য এমন সেবা দিতে সাহায্য করবে।
* পণ্য বিকিকিনির কাজে স্বয়ংক্রিয়তা বাড়বে। বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত অনেক কর্মী চাকরি হারাবে।
* পণ্য কেনার পর অর্থ প্রদানের জন্য দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে প্রতি পণ্যের বারকোড স্ক্যান করার প্রয়োজন পড়বে না। চেক আউটের কাজ হবে দূর থেকেই, দোকানের তাক থেকে পণ্য নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা গ্রাহকের হিসাবে যুক্ত হয়ে যাবে।
* নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়িতে পৌঁছে যাবে। এই কাজটি করবে চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় ট্রাক বা ড্রোন।
* গ্রাহকদের কাছে বিশেষায়িত ছোট দোকানের গুরুত্ব বজায় থাকবে।
* অনলাইনে বিক্রি বর্তমানে ১০ শতাংশ থেকে ২০২৭ সাল নাগাদ ৪০ শতাংশে উন্নীত হবে। কিছু কিছু খাতে ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
* প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য তৈরি করে দেবে ত্রিমাতৃক মুদ্রণ প্রযুক্তির সাহায্যে। ফলে অনেক ছোট প্রতিষ্ঠানও বাজারে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারবে।
* ঘরে তো বটেই, কেনাকাটার অভিজ্ঞতাও বদলে দেবে ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি। সম্ভাব্য ক্রেতা পণ্য ক্রয়ের আগে পণ্যের ব্যবহারবিধি, সুবিধা-অসুবিধা জেনে নিতে পারবেন।
সূত্র: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম
দুর্বল নেটওয়ার্কের জন্য গুগলের সেবা

দুর্বল নেটওয়ার্কের জন্য গুগলের সেবা


গুগল ফটোজগুগল ফটোজযেসব দেশে ইন্টারনেট ধীরগতির, সেখানে সেবা ও অ্যাপগুলো আরও উন্নত করছে গুগল। ফটোজ অ্যাপটিকে হালনাগাদ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে টুজি সংযোগেও স্মার্টফোনে তোলা ছবি ব্যাকআপ বা ক্লাউডে সংরক্ষণ করে রাখা যাবে। আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যারচালিত যন্ত্রে এ সুবিধা পাওয়া যাবে।
গুগল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, হালানাগাদ সংস্করণটির পর স্মার্টফোনে তোলা ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাইটওয়েট প্রিভিউ কোয়ালিটি হিসেবে সংরক্ষিত হবে। স্মার্টফোনে এ ছবি সুন্দর দেখাবে। তবে ওই ডিভাইসটি ওয়াই-ফাই বা ভালো গতির ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় এলে ওই হালকা ছবির বদলে উচ্চমান সম্পন্ন ছবি যুক্ত হবে।ফটোজ অ্যাপটি ছাড়াও ডুয়ো ও অ্যালো অ্যাপটির হালনাগাদ এনেছে গুগল। এই দুটি অ্যাপ দিয়ে এখন কম গতির নেটওয়ার্কে যোগাযোগ করা যাবে। ডুয়ো অ্যাপটি দিয়ে কমগতির নেটওয়ার্কে অডিও কল করা যাবে। এ ছাড়া নানা ফরম্যাটের ডকুমেন্ট শেয়ার করার সুবিধা আসছে এতে। তথ্যসূত্র: গ্যাজেটস নাউ।

Thursday, March 23, 2017

কী থাকছে অ্যান্ড্রয়েড ‘ও’ অপারেটিং সিস্টেমে

কী থাকছে অ্যান্ড্রয়েড ‘ও’ অপারেটিং সিস্টেমে


নতুন অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে বিভাগ অনুযায়ী নোটিফিকেশন সাজানো যাবে l  দ্য গার্ডিয়াননতুন অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে বিভাগ অনুযায়ী নোটিফিকেশন সাজানো যাবে l দ্য গার্ডিয়ানগুগল সম্প্রতি তার পরবর্তী অপারেটিং সিস্টেম ‘অ্যান্ড্রয়েড ও’-এর প্রাক্‌সংস্করণ প্রোগ্রামারদের জন্য উন্মুক্ত করেছে। নতুন অপারেটিং সিস্টেমে খুব বেশি নতুনত্ব না থাকলেও এটি ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যান্ড্রয়েডকে আরও সহজ করতে সাহায্য করবে। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এটি স্মার্টফোনের ভেতরে-ভেতরে চলতে থাকা অ্যাপগুলো নিয়ে কাজ করবে। এতে করে ফোন, ট্যাবলেট ও অন্যান্য যন্ত্রে ব্যবহৃত ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়বে। অ্যাপের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যাবে ব্যাকগ্রাউন্ড সেবা ও ভৌগোলিক অবস্থানের সর্বশেষ তথ্য নেওয়ার ক্ষেত্রে। এগুলোই ব্যাটারির চার্জ নিঃশেষ হতে ভূমিকা রাখে।
এ ছাড়া নতুন এই সিস্টেমটি ব্যবহারকারীদের নোটিফিকেশন পাওয়ার ক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণের সুবিধা দেবে। নতুন অটোফিল এপিআইগুলো কোনো নির্দিষ্ট অ্যাপে ব্যক্তিগত তথ্য জমা করে রাখার সুবিধাও দেবে। যেমনটা তারা পাসওয়ার্ড ম্যানেজারে করে থাকে। ফোন ও ট্যাবলেটে এখন থেকে ছবির মধ্যে ছবি দেখানো যাবে। অর্থাৎ অন্য অ্যাপ চালু থাকা অবস্থায় ব্যবহারকারীরা ভিডিও দেখতে পারবে।
এ সিস্টেমে নতুন ব্লুটুথ অডিও কোড সমর্থন করবে। যারা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সঙ্গে কিবোর্ড যোগ ব্যবহার করে, তারা অ্যারো এবং ট্যাব কি সংবলিত বেশির ভাগ অ্যাপই সহজভাবে চালাতে পারবে।
অনামিকা মণ্ডল, সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চলবে টেলিভিশন!

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চলবে টেলিভিশন!



কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চলবে টেলিভিশন!

আপনাকে হয়তো আর রিমোর্ট টেপার ঝামেলা করতে হবে না। কারণ আপনার মুখের নির্দেশেই চলবে টেলিভিশন!
প্রযুক্তি ক্রমেই আমাদের হাতের নাগালে চলে আসছে। খুব শিগগিরই বাজারে আসতে চলেছে ছোট্ট একটি যন্ত্র, দেখতে অনেকটা রিমোট কন্ট্রোলের স্টিকের মতোই। কণ্ঠস্বর চিহ্নিত করে নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়ার এই যন্ত্রটি বাজারে ছাড়ছে অ্যামাজন। এই যন্ত্রটি পরিচিত হবে পরবর্তী প্রজন্মের ফায়ার ‘টিভি স্টিক’ নামেই। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টের এক খবরে এ কথা বলা হয়েছে।
প্রধানত টেলিভিশন পরিচালনা করতেই ব্যবহার হবে এটি। তবে এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিংবা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যোগ হচ্ছে বলেই ব্যবহারকারীরা এর থেকে আরও অনেক সুবিধা পাবেন। এর আগে অ্যামাজনের ইকো স্পিকারসহ বিভিন্ন সরঞ্জামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করা হয়েছে।
অ্যামাজন থেকে জানানো হয়েছে, পাশে বসা বন্ধুকে বলার মতো করে বললেই হবে, ফায়ার টিভি স্টিক সেটি চিহ্নিত করে টিভির উপযোগী তরঙ্গ তৈরি করে ফেলবে এটি। আবার অ্যামাজনের ভিডিওগুলো সামনে এগিয়ে দেখা বা পেছনে ফিরিয়ে দেখা দুটোই করতে পারবেন কেবলমাত্র আপনার কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে। শুধু অ্যালেক্সাকে আদেশ করবেন, ভিডিওটিকে ৩০ সেকেন্ড পেছনের দিকে নাও বা দুই মিনিট সামনে নাও।
নতুন এই ফায়ার টিভি স্টিক দিয়ে আরও বেশ কয়েকটি কাজ করা সম্ভব। এই রিমোট দিয়ে আপনার স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোও কাজ করবে। রিমোটের কাছে জিজ্ঞেস করে নিতে পারবেন আবহাওয়ার খবর, খেলার স্কোর, এমনকি ছাড়তে পারবেন গান। শুধু তাই নয়, বাজার-সদাই থেকে শুরু করে বাইরে খেতে বা ঘুরতে যাওয়ার জন্য গাড়িও ভাড়া করতে পারবেন এই রিমোট দিয়ে!

Wednesday, March 22, 2017

কম্পিউটার স্ক্রিন কি আসলেই দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করে

কম্পিউটার স্ক্রিন কি আসলেই দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করে



কম্পিউটার স্ক্রিন কি আসলেই দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করে
অফিসের কাজ অথবা পড়াশোনা এমনকি কোনো কাজ ছাড়াই অনেকে সারা দিন কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে কাটান। এই কাজটি কি আপনার চোখের ক্ষতি করছে? অনেকের মনে হয় তাদের চোখ ক্লান্ত হয়ে গেছে, মাথা ধরে আছে। আসলে কী হচ্ছে?
আপনার এই সমস্যাটি হতে পারে 'কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম'।
এটাকে ডিজিটাল আই স্ট্রেইনও বলা হয়। লম্বা সময় ধরে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোন ব্যবহার করেন যারা তাদের এ সমস্যা হতে পারে, জানা যায় অ্যামেরিকান অপটোমেট্রিক অ্যাসোসিয়েশন থেকে।
অফিসে অপর্যাপ্ত আলো, স্ক্রিনের আলো এবং সঠিকভাবে না বসার কারণে এই সমস্যা বাড়তে পারে। এর থেকে শুষ্ক চোখের সমস্যাও হতে পারে। সাধারণ সময়ে আমরা যতবার চোখের পাতা ফেলি, স্ক্রিনের সামনে তার ৬৬ শতাংশ কম ফেলি। এ কারণে চোখ শুষ্ক হয়ে যায়, জানা যায় ইউনিভার্সিটি অফ আইওয়া হেলথ কেয়ারের রিপোর্ট থেকে।
সুতরাং স্ক্রিনের কারণে চোখ ক্লান্ত হয় ঠিকই কিন্তু তা কি দৃষ্টিশক্তি খারাপ হওয়ার পেছনে দায়ী? না, বলেন মেলানি এ. শ্মিট। তিনি ইউনিভার্সিটি অফ উইসকনসিনের অপথ্যালমলজির একজন সহকারী অধ্যাপক।
ইদানীং মায়োপিয়ার সমস্যাটা বেশি দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটা স্ক্রিনের জন্য কিনা তা গবেষকরা এখনও নিশ্চিত নন। এর পেছনে বংশগত কারণ, বাইরে যথেষ্ট সময় না কাটানো এমনকি ঘুমের সমস্যাও জড়িত।
কোনো ওয়েবসাইটে লেখা পড়া বা ইনস্টাগ্রাম দেখার সময়ে চোখের আশপাশের ছোট ছোট পেশিগুলো এসব জিনিস ফোকাসে আনার জন্য কাজ করে। এ কাজ খুব বেশি সময় ধরে করলে তাতে চোখের ওপর চাপ পড়ে, এই ক্লান্তিই আপনি অনুভব করেন। মায়ো ক্লিনিকের মতে, এর কোনো দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নেই।
মাদ্রিদের এক সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা যায়, এলইডি লাইট ইঁদুরের রেটিনা ড্যামেজ করতে পারে। স্ক্রিনে ব্যবহার করা হয় এই লাইট।
কিন্তু এই একই রকমের ক্ষতি মানুষের হয় কিনা তা গবেষণা করে দেখা প্রয়োজন। মোট কথা এটাই, আপনি যদি স্ক্রিন থেকে নিয়মিত ব্রেক না নেন তাহলে ক্ষতি হতে পারে, যদিও সেই ক্ষতি অস্থায়ী হয়। ২০-২০-২০ রুল মেনে আপনি চোখের ওপর চাপ কমাতে পারেন। প্রতি ২০ মিনিট স্ক্রিনে কাজ করার পর ২০ ফুট দূরত্বের কোনো কিছুর দিকে তাকিয়ে থাকেন ২০ সেকেন্ড।
এ ছাড়াও কম্পিউটারের স্ক্রিনের আলো কমাতে পারেন এবং আই ড্রপ ব্যবহার করে শুষ্ক চোখ থেকে মুক্ত হতে পারেন। তবে কিছুটা সময় বাইরে কাটানো এবং প্রকৃতির দিকে দৃষ্টি দেওয়াটা হতে পারে সবচেয়ে ভালো উপায়। 
সূত্র : হাফিংটন পোস্ট
কোন দেশে কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জনপ্রিয়?

কোন দেশে কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জনপ্রিয়?

সূত্র: ভিনসেনজো কসেঞ্জা ও ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামসূত্র: ভিনসেনজো কসেঞ্জা ও ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম১৮০ কোটির বেশি মাসিক ব্যবহারকারী নিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। সে জানা কথা। গোটা চীনেও এত মানুষ নেই। তবে জনপ্রিয়তম হলেও বিশ্বের সব দেশেই কিন্তু শীর্ষে নেই ফেসবুক। এর বড় উদাহরণ চীন। তবে চীনে ফেসবুক নিষিদ্ধ বলেই অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এগিয়ে গেছে, এমনটা ভাবারও সুযোগ নেই।
ইতালীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশ্লেষক ভিনসেনজো কসেঞ্জা ২০০৯ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনপ্রিয়তম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো মানচিত্র আকারে প্রকাশ করে আসছেন। সূত্র হিসেবে তিনি ব্যবহার করেছেন অ্যালেক্সা ও সিমিলারওয়েবের তথ্য। এ বছরের জানুয়ারিতেও তিনি সোশ্যাল নেটওয়ার্কের বিশ্ব মানচিত্র প্রকাশ করেন। তাঁর বিশ্লেষণে রাখা ১৪৯টি দেশের মধ্যে ১১৯টিতে ফেসবুক শীর্ষে। অথচ গত বছর ১৩৭টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করেন তিনি, ফেসবুক শীর্ষে ছিল ১২৯টিতে। অর্থাৎ নতুন ব্যবহারকারী যোগ হলেও কিছু কিছু দেশে শীর্ষ অবস্থান হারাচ্ছে ফেসবুক।
এর বেশ কিছু কারণ আছে। রাশিয়ায় শীর্ষে রয়েছে মেইল ডট আরইউর মালিকানাধীন ভিকনতাকতে ও আদ্‌নাক্লাসনিকি। আফ্রিকার কিছু দেশে শীর্ষে উঠে এসেছে লিংকড-ইন। অন্যদিকে বতসোয়ানা, মোজাম্বিক, নামিবিয়া, ইরান ও ইন্দোনেশিয়ার মতো কিছু দেশে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রাম। চীনে শীর্ষে রয়েছে কিউজোন এবং জাপান বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হলো টুইটার।
সূত্র: ভিনসেনজো কসেঞ্জা ও ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম

Tuesday, March 21, 2017

পৃথিবী গোল নয়, চ্যাপ্টা, দাবি নিয়ে এখনো লড়ছেন যারা!

পৃথিবী গোল নয়, চ্যাপ্টা, দাবি নিয়ে এখনো লড়ছেন যারা!


পৃথিবী গোল নয়, চ্যাপ্টা, দাবি নিয়ে এখনো লড়ছেন যারা!
না, মোটেই গোলাকার নয় এই গ্রহ। সেই আদি মধ্যযুগে তোলা এক দাবিকে সম্বল করে দিন কাটান এঁরা। ‘এঁরা’ মানে ‘ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটি’-র সদস্যরা। ভুলেও ভাববেন না, এঁরা পাগল অথবা বাতিকগ্রস্ত। এঁদের মধ্যে বেশকিছু এমন মানুষ রয়েছেন, যাঁরা স্বক্ষেত্রে যথেষ্ট কৃতী ও খ্যাতনামা। অন্য কোনও কাজে এঁরা কোনওরকম উন্মাদনা দেখান না। কেবল এই একটা ব্যাপারেই এঁরা অনড়। পৃথিবীর গোলকাকৃতি স্বীকার করতে এঁরা একেবারেই রাজি নন। 
মার্কিন দেশের বাস্কেটবল তারকা কাইরি আরভিং, বিশ্বখ্যাত ফোটোগ্রাফার সিন্ডি অর্ড-সহ অনেক সেলিব্রিটিরই বিশ্বাস, পৃথিবীর গোলাকৃতির ব্যাপারটা একেবারে গাঁজাখুরি গপ্পো। আসলে কিছু স্বার্থগন্ধী মানুষ এই বাজে গল্পটা ছড়িয়ে নিজেদের আখের গোছাতে চায়। নিজেদের বক্তব্যকে প্রতিষ্ঠা দিতে প্রভূত যুক্তি খাড়া করেন ‘ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটি’-র সদস্যবৃন্দ। প্রতিবছর গড়ে ২০০জন মানুষ এই সংস্থার সদস্য হন। ক্রমেই বর্ধমান এঁদের সংখ্যা। 
এই ২১ শতকে দাঁড়িয়ে এই আজব দাবি কি আদৌ সিরিয়াস? কী যুক্তি দেন ‘ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটি’-র সদস্যরা তাঁদের দাবি প্রতিষ্ঠা করার পিছনে?
‘ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটি’-র মতে—
• পৃথিবী একটা চ্যাপ্টা চাকতির মতো। এর কেন্দ্রে রয়েছে সুমেরু বৃত্ত, এই চাকতিকে ঘিরে থাকা একটি ১৫০ ফুট উঁচু বরফের দেওয়ালই কুমেরু। নাসা-র লোকেরা এই প্রাচীরটি পাহারা দেয়। তারা মানুষকে ওই প্রাচীর ডিঙোতে বাধা দেয়, না হলে লোক পৃথিবীর বাইরে পড়ে যাবে। 
• চাঁদ ও সূর্য এই চাকতির উপরে পাক দেয়, তাই দিন-রাত্রি হয়। আর একটা ‘অ্যান্টিমুন’-ও এই ঘুরপাকের খেলায় রয়েছে, যাকে চোখে দেখা যায় না। তবে এর প্রকোপেই চন্দ্রগ্রহণ হয়। 
• পৃথিবীর অভিকর্ষ আসলে একটা ইলিউশন। বরং ‘ডার্ক এনার্জি’ নামের একটা বল সেকেন্ডে ৩২ ফিট বেগে উপরদিকে ঠেলে এই চাকতিকে। এর উপরে দাঁড়িয়ে মনে হয়, নীচের দিক থেকে কেউ টানছে। 
 • পৃথিবীর গোলকাকৃতি ছবিগুলো সবই নকল। মহাকাশ-টহাকাশও বাজে কথা। নাসা ও অন্যান্য সংস্থা মহাকাশ গবেষণার নামে বিপুল অর্থোপার্জন করে। 
• সায়েন্টিফিক মেথডের বাইরে ‘জেটেটিক মেথড’ নামের এক পদ্ধতি অনুসরণ করে ‘ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটি’-র সদস্যরা দেখান, গোলাকার পৃথিবীর ধারণাটাই নাসা-র ষড়যন্ত্র। 
অনেকে মনে করেন, ‘ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটি’-র এই আন্দোলন আসলে বিজ্ঞানবাদের বিরুদ্ধে। সবকিছুর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা করার প্রবণতাকে এঁরা প্রতিরোধ করতে চান। কিন্তু, ‘ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটি’ নিজে থেকে এমন কিছুই বলে না। 
সম্প্রতি মার্কিন বাস্কেটবল তারকা কাইরে আরভিং গণমাধ্যমে জানিয়েছেন ফ্ল্যাট আর্থ-এ তিনি বিশ্বাস করেন। তার পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেধেছে তুমুল কাণ্ড। গোটা দুনিয়ার বিদ্রুপ বর্যিত হচ্ছে চ্যাপ্টা পৃথিবীর সমর্থকদের উপরে।
বাহারি মোবাইল কাভার

বাহারি মোবাইল কাভার

চীনের ৬৭তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করতে রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ভিড় জমিয়েছেন অনেকে। তুলছেন সেলফিও। সেখানে মোবাইল ফোনের কভারের বৈচিত্র্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ছবি: রয়টার্স
চীনের ৬৭তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করতে রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ভিড় জমিয়েছেন অনেকে। তুলছেন সেলফিও। সেখানে মোবাইল ফোনের কভারের বৈচিত্র্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ছবি: রয়টার্স
চীনের ৬৭তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করতে রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ভিড় জমিয়েছেন অনেকে। তুলছেন সেলফিও। সেখানে মোবাইল ফোনের কভারের বৈচিত্র্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ছবি: রয়টার্স
চীনের ৬৭তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করতে রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ভিড় জমিয়েছেন অনেকে। তুলছেন সেলফিও। সেখানে মোবাইল ফোনের কভারের বৈচিত্র্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ছবি: রয়টার্স
চীনের ৬৭তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করতে রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ভিড় জমিয়েছেন অনেকে। তুলছেন সেলফিও। সেখানে মোবাইল ফোনের কভারের বৈচিত্র্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ছবি: রয়টার্স
চীনের ৬৭তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করতে রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ভিড় জমিয়েছেন অনেকে। তুলছেন সেলফিও। সেখানে মোবাইল ফোনের কভারের বৈচিত্র্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ছবি: রয়টার্স
বর্ণিল মোবাইল কভার। ছবি: রয়টার্স
বর্ণিল মোবাইল কভার। ছবি: রয়টার্স
মোবাইল ফোনের কাভারে হাজির ছোট্ট বালিকা। ছবি: রয়টার্স
মোবাইল ফোনের কাভারে হাজির ছোট্ট বালিকা। ছবি: রয়টার্স
মোবাইল ফোনের কাভারে হাজির ঝাঁকড়া চুলের মেয়ে। ছবি: রয়টার্স
মোবাইল ফোনের কাভারে হাজির ঝাঁকড়া চুলের মেয়ে। ছবি: রয়টার্স
চীনের ৬৭তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করতে রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ভিড় জমিয়েছেন অনেকে। তুলছেন সেলফিও। সেখানে মোবাইল ফোনের কভারের বৈচিত্র্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ছবি: রয়টার্স
চীনের ৬৭তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করতে রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ভিড় জমিয়েছেন অনেকে। তুলছেন সেলফিও। সেখানে মোবাইল ফোনের কভারের বৈচিত্র্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ছবি: রয়টার্স
মোবাইল ফোনের কাভারে হাজির জনপ্রিয় কার্টুন চরিত্র ‘ডোরেমন’। ছবি: রয়টার্স
মোবাইল ফোনের কাভারে হাজির জনপ্রিয় কার্টুন চরিত্র ‘ডোরেমন’। ছবি: রয়টার্স
হৃদয়ে চীন—যেন এটাই বলতে চাইছেন পতাকার আদলে তৈরি করা এই মোবাইল ফোনের কাভার ব্যবহারকারী। ছবি: রয়টার্স
হৃদয়ে চীন—যেন এটাই বলতে চাইছেন পতাকার আদলে তৈরি করা এই মোবাইল ফোনের কাভার ব্যবহারকারী। ছবি: রয়টার্স
ফুল-প্রজাপতি হাতের মুঠোয় মোবাইল কাভারের সৌজন্যে। ছবি: রয়টার্স
ফুল-প্রজাপতি হাতের মুঠোয় মোবাইল কাভারের সৌজন্যে। ছবি: রয়টার্স
বাহারি এক মোবাইল কভার। ছবি: রয়টার্স
বাহারি এক মোবাইল কভার। ছবি: রয়টার্স
মোবাইল ফোনের কাভার ব্যবহারে যে কত রকমের বৈচিত্র্য থাকতে পারে, চীনের ৬৭তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করতে রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা যেন তার প্রমাণ দিলেন। ছবি: রয়টার্স
মোবাইল ফোনের কাভার ব্যবহারে যে কত রকমের বৈচিত্র্য থাকতে পারে, চীনের ৬৭তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করতে রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা যেন তার প্রমাণ দিলেন। ছবি: রয়টার্স
মোবাইলের কভারে পশুপ্রেমের জানান দিলেন এই ব্যবহারকারী! ছবি: রয়টার্স
মোবাইলের কভারে পশুপ্রেমের জানান দিলেন এই ব্যবহারকারী! ছবি: রয়টার্স
বাহারি এক মোবাইল কাভার। ছবি: রয়টার্স
বাহারি এক মোবাইল কাভার। ছবি: রয়টার্স
‘মিস্টার বক্স’ পছন্দ এই নারীর। মোবাইল কাভার তো তারই প্রমাণ দেয়! ছবি: রয়টার্স
‘মিস্টার বক্স’ পছন্দ এই নারীর। মোবাইল কাভার তো তারই প্রমাণ দেয়! ছবি: রয়টার্স