এক দশক পরও সেই দুঃসহ স্মৃতি মনে পড়লে বিষাদে ভরে ওঠে টেন্ডুলকারের মন। কদিন আগে ভারতীয় পত্রিকা মিড-ডে কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘হারের পরও (টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর) আমরা দুদিন ওয়েস্ট ইন্ডিজে ছিলাম। এই দুদিন হোটেল রুম থেকে বের হইনি। কোনো কিছুই করার আগ্রহ ছিল না। এটা এমনই হতাশার ঘটনা ওই দুই দিনœকিছুতেই মন বসাতে পারিনি। এটা ভুলে পরের কোনো টুর্নামেন্টে মনোযোগ দেওয়া ভীষণ কঠিনই ছিল।’
১৭ মার্চ পোর্ট অব স্পেনে বাংলাদেশের কাছে ৫ উইকেট হারটা বিরাট ধাক্কা দেয় ভারতকে। নিজেদের পরের ম্যাচে দুর্বল বারমুডার বিপক্ষে বড় জয় পেলেও ২৩ মার্চ শ্রীলঙ্কার কাছে ৬৯ রানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকেই বিদায় ভারতের। ১০ বছর আগের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা টেন্ডুলকার আজও ভুলতে পারেন না, ‘২০০৭ বিশ্বকাপ আমাদের খুব বাজে গেছে। বাংলাদেশের কাছে প্রথম ধাক্কা, পরে হারলাম শ্রীলঙ্কার কাছে। কখনো ভাবতেও পারিনি বাংলাদেশের কাছে হারব। আমরা অতি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম না। তবে এটা তো প্রত্যাশা করতেই পারেন ভারত বাংলাদেশকে হারাবে। ক্রিকেট যে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়, এটা ছিল তারই একটি।’
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের ঘটনাকে টেন্ডুলকার বলছেন জীবনের সবচেয়ে বাজে দিনগুলোর একটা। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপে বাজে খেলার পর তিনি ফোন পেয়েছিলেন ভিভ রিচার্ডসের। প্রায় ৪৫ মিনিটের সেই আলাপনে ক্যারিবীয় কিংবদন্তি টেন্ডুলকারকে অনেক কিছুই বুঝিয়েছিলেন, ‘তিনি আমাকে ক্রিকেটের উত্থান-পতন নিয়ে বললেন। উৎসাহ দিলেন, ক্রিকেটে এখনো আমার অনেক কিছু দেওয়ার আছে। বললেন, তুমি অবসরের কথা ভেব না। তিনি আমাদের এক বন্ধুর কাছে শুনেছিলেন আমি ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েছি এবং অবসর নেওয়ার কথা ভাবছি। আপনার ব্যাটিং নায়ক এভাবে বলবে সেটা অনেক কাজে দেবে। সুনীল গাভাস্কার আর তাঁকে সব সময়ই অনুসরণ করেছি। স্যার ভিভ আমাকে ঠিক সময়েই ফোন করেছিলেন। আমার নতুন উপলব্ধি হলো। নিজেকে বোঝালাম, এসব ভাবনা দূরে সরিয়ে রাখব।’
সেটির ফল টেন্ডুলকার যে পেয়েছেন সেটা তো দেখেছেনই। ২০০৭ বিশ্বকাপের ব্যর্থতা ঝেড়ে ২০১১ বিশ্বকাপ জিতে দূর করেছেন বহুদিনের আক্ষেপ। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
১৭ মার্চ পোর্ট অব স্পেনে বাংলাদেশের কাছে ৫ উইকেট হারটা বিরাট ধাক্কা দেয় ভারতকে। নিজেদের পরের ম্যাচে দুর্বল বারমুডার বিপক্ষে বড় জয় পেলেও ২৩ মার্চ শ্রীলঙ্কার কাছে ৬৯ রানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকেই বিদায় ভারতের। ১০ বছর আগের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা টেন্ডুলকার আজও ভুলতে পারেন না, ‘২০০৭ বিশ্বকাপ আমাদের খুব বাজে গেছে। বাংলাদেশের কাছে প্রথম ধাক্কা, পরে হারলাম শ্রীলঙ্কার কাছে। কখনো ভাবতেও পারিনি বাংলাদেশের কাছে হারব। আমরা অতি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম না। তবে এটা তো প্রত্যাশা করতেই পারেন ভারত বাংলাদেশকে হারাবে। ক্রিকেট যে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়, এটা ছিল তারই একটি।’
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের ঘটনাকে টেন্ডুলকার বলছেন জীবনের সবচেয়ে বাজে দিনগুলোর একটা। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপে বাজে খেলার পর তিনি ফোন পেয়েছিলেন ভিভ রিচার্ডসের। প্রায় ৪৫ মিনিটের সেই আলাপনে ক্যারিবীয় কিংবদন্তি টেন্ডুলকারকে অনেক কিছুই বুঝিয়েছিলেন, ‘তিনি আমাকে ক্রিকেটের উত্থান-পতন নিয়ে বললেন। উৎসাহ দিলেন, ক্রিকেটে এখনো আমার অনেক কিছু দেওয়ার আছে। বললেন, তুমি অবসরের কথা ভেব না। তিনি আমাদের এক বন্ধুর কাছে শুনেছিলেন আমি ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েছি এবং অবসর নেওয়ার কথা ভাবছি। আপনার ব্যাটিং নায়ক এভাবে বলবে সেটা অনেক কাজে দেবে। সুনীল গাভাস্কার আর তাঁকে সব সময়ই অনুসরণ করেছি। স্যার ভিভ আমাকে ঠিক সময়েই ফোন করেছিলেন। আমার নতুন উপলব্ধি হলো। নিজেকে বোঝালাম, এসব ভাবনা দূরে সরিয়ে রাখব।’
সেটির ফল টেন্ডুলকার যে পেয়েছেন সেটা তো দেখেছেনই। ২০০৭ বিশ্বকাপের ব্যর্থতা ঝেড়ে ২০১১ বিশ্বকাপ জিতে দূর করেছেন বহুদিনের আক্ষেপ। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
0 comments: